সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায় | সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আজকে আলোচনার বিষয় হচ্ছে সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায় সম্পর্কে। এছাড়াও সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবহার এর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত লেখার পাশাপাশি আরো অন্যান্য জায়গায় ব্লিচিং পাউডারের ব্যবহার সম্পর্কে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হবে।

স্কুল কলেজ কিংবা মাদ্রাসা সব জায়গাতেই আমরা সাধারণত সাদা কাপড় পরিধান করে থাকি। কিন্তু ওই সাদা কাপড়ে খুব অল্পতেই তিলা পড়ে যায় এমনকি এ ধরনের তিলা কাপড় থেকে তুলতে অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। যাই হোক কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল আর্টিকেলে চলে যাই। এবং ঘামের কারণে কাপড়ের মধ্যে পড়ে যাওয়া তিলা তোলার প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নেই।

আরও পড়ুন

সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায়

ঘামের কারণে যদি সাদা কাপড়ের মধ্যে তিলা পড়ে যায়, তাহলে ঐ তিলা উঠানোর জন্য অনেকেই অনেক কথা বলে থাকে। কিন্তু ইহার কার্যকারী উপায় হচ্ছে দুইটি, প্রথম প্রকার হচ্ছে বাজারে এক ধরনের লিকুইড পাওয়া যায় যেই লিকুইড ব্যবহার করার দ্বারা কাপড় থেকে তিলা উঠে যায়। অবশ্যই জেনে রাখা দরকার যে এই লিকুইড দিয়ে সাধারণত কাপড়ের মধ্যে লেগে থাকা যেকোনো ধরনের দাগ উঠানো যায় যদি সেটা অল্প পরিমাণে হয়। কিন্তু কাপড়ের মধ্যে তিলা যদি অধিক পরিমাণে হয় তাহলে সাধারণত লিকুইড এর মাধ্যমে ঐ সমস্ত দাগ উঠানো সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে আপনাকে দ্বিতীয় নাম্বার পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

দ্বিতীয় নাম্বার পদ্ধতি হচ্ছে কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা, কাপড়ের মধ্যে যতই তিলা বা যেকোনো ধরনের দাগ থাকুক না কেন? ওই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করার দ্বারা সব ধরনের দাগ কিন্তু একেবারে উঠে যায়। তবে শুধু ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করলেই হবেনা বরং নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করলেই কেবলমাত্র সাদা কাপড় থেকে তিলা সহ অন্যান্য দাগ উঠবে।

সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায় | সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম  আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আজকে আলোচনার বিষয় হচ্ছে সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায় সম্পর্কে। এছাড়াও সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবহার এর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত লেখার পাশাপাশি আরো অন্যান্য জায়গায় ব্লিচিং পাউডারের ব্যবহার সম্পর্কে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হবে।  স্কুল কলেজ কিংবা মাদ্রাসা সব জায়গাতেই আমরা সাধারণত সাদা কাপড় পরিধান করে থাকি। কিন্তু ওই সাদা কাপড়ে খুব অল্পতেই তিলা পড়ে যায় এমনকি এ ধরনের তিলা কাপড় থেকে তুলতে অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। যাই হোক কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল আর্টিকেলে চলে যাই। এবং ঘামের কারণে কাপড়ের মধ্যে পড়ে যাওয়া তিলা তোলার প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নেই।  সাদা কাপড়ের তিলা তোলার উপায়  ঘামের কারণে যদি সাদা কাপড়ের মধ্যে তিলা পড়ে যায়, তাহলে ঐ তিলা উঠানোর জন্য অনেকেই অনেক কথা বলে থাকে। কিন্তু ইহার কার্যকারী উপায় হচ্ছে দুইটি, প্রথম প্রকার হচ্ছে বাজারে এক ধরনের লিকুইড পাওয়া যায় যেই লিকুইড ব্যবহার করার দ্বারা কাপড় থেকে তিলা উঠে যায়। অবশ্যই জেনে রাখা দরকার যে এই লিকুইড দিয়ে সাধারণত কাপড়ের মধ্যে লেগে থাকা যেকোনো ধরনের দাগ উঠানো যায় যদি সেটা অল্প পরিমাণে হয়। কিন্তু কাপড়ের মধ্যে তিলা যদি অধিক পরিমাণে হয় তাহলে সাধারণত লিকুইড এর মাধ্যমে ঐ সমস্ত দাগ উঠানো সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে আপনাকে দ্বিতীয় নাম্বার পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।  দ্বিতীয় নাম্বার পদ্ধতি হচ্ছে কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা, কাপড়ের মধ্যে যতই তিলা বা যেকোনো ধরনের দাগ থাকুক না কেন? ওই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করার দ্বারা সব ধরনের দাগ কিন্তু একেবারে উঠে যায়। তবে শুধু ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করলেই হবেনা বরং নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করলেই কেবলমাত্র সাদা কাপড় থেকে তিলা সহ অন্যান্য দাগ উঠবে।  সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম  সর্বপ্রথম আপনি আপনার পাঞ্জাবি কিংবা শার্ট অথবা প্যান্ট যেটাই হোক না কেন সেটা নিবেন। এবং খুব ভালোভাবে হুইল পাউডার বা অন্য যেকোনো সাবান দিয়ে ধুয়ে নিবেন। তবে সাবধান হুইল পাউডার বা সাবানের সাথে ব্লিচিং পাউডার দিবেন না, কেননা অনেকেই এরকম ভুল করে থাকে দুইটা একসাথে মিশিয়ে দিয়ে দেয়। তো যাই হোক ভালোভাবে কাপড়টা ধৌত করার পর, আলাদা একটা পাত্রে কাপড়ের পরিমান মত পানি নিয়ে নিবেন।   অতঃপর ওই পানিতে পরিমাণ মতো ব্লিচিং পাউডার দিয়ে দিবেন, দিয়ে দেওয়ার পর কাপড়টা ওই পানির মধ্যে চুবিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিবেন। যাতে করে সমস্ত কাপড়ের মধ্যে ওই ব্লিচিং পাউডারের পানিটা পৌঁছে যায়। এভাবে আপনি ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ব্লিচিং পাউডারের পানিতে কাপড়টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর যখন কাপড়টা তুলবেন তখন দেখবেন আপনার কাপড় থেকে তিলা সহ আরো অন্যান্য সমস্ত দাগ সুন্দর করে পরিষ্কার হয়ে গেছে।  তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে অবশ্যই ব্লিচিং পাউডারের সাথে সুডা মিশিয়ে নিবেন, অর্থাৎ ব্লিচিং পাউডার যতটুকু পরিমাণ নিবেন ঠিক  ততটুকু পরিমাণ সুডাও নিয়ে নিবেন। আর কাপড়ের দাগ বা তিলা যদি বিস্তৃত না হয়ে কোন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় হয় তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে সমস্ত কাপড় ব্লিচিং পাউডার এর পানিতে না ভিজিয়ে ওই নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যেই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করবেন।  সতর্কতা: কেউ সুতি কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করবেন না, কেননা এতে আপনার সুতি কাপড় ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লিসিং পাউডার শুধুমাত্র শক্ত, পিছলা, টোরের ও মাইক্রো কাপড়ের মধ্যে ব্যবহারযোগ্য। কাজেই কেউ অযথাই না বুঝে আপনার সুতি কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে আপনার কাপড়টি নষ্ট করবেন না।  জমিতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম  জমির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় ও ক্ষতিকর বস্তু ধ্বংস করতে এই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। জমিতে ফসল ফলানোর ১৫ থেকে ২০ দিন পূর্বে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে হয়। আপনি শুকনো ভালো কিংবা ছাইয়ের সাথে মিশিয়ে ব্লিচিং পাউডার জমিতে ব্যবহার করতে পারেন, অথবা জমিতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে অল্প পরিমাণ পানিও দিতে পারেন। তবে সতর্ক থাকতে হবে ব্লিচিং পাউডারের পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়।   আপনি চাইলে প্রতি এক কাঠা অর্থাৎ ১০ শতাংশ জমিতে ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। এর বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।  পুকুরে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম  পুকুরে অনেক সময় গ্যাস সহ পানি নষ্ট হয়ে যায় যার কারণে পুকুরে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। তবে অবশ্যই পুকুরে মাছ ছাড়ার ১২ থেকে ১৫ দিন পূর্বে এই পাউডার ব্যবহার করবেন। আর পুকুরেও ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যাতে করে ব্লিচিং পাউডারের পরিমাণ বেশি না হয়ে যায়। কেননা পাউডারের পরিমাণ যদি বেশি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে পরবর্তীতে মাছের উপর ইফেক্ট পড়তে পারে।  ব্লিচিং পাউডার দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার  টয়লেটে এবং ইস্তেঞ্জাখানায় প্রায় সময় অনেকের দুর্গন্ধ এবং আবর্জনা যুক্ত হয়ে যায়। তো সেক্ষেত্রে আপনি টয়লেটে বা ইস্তেঞ্জাখানায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। টয়লেটে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের তেমন কোন নীতিমালা নেই। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে শুকনো ব্লিচিং পাউডার আপনি টয়লেটের আশেপাশে ছিটিয়ে দিতে পারেন। এতে করে জীবাণু ও দুর্গন্ধ উঢয়টায়-ই দূর হয়ে যাবে।  ব্লিচিং পাউডার দিয়ে টাইলস পরিষ্কার  অনেকের বাসা বাড়িতে বা বাথরুমের মধ্যে লাগানোর টাইলসে ময়লা বা এক ধরনের দাগ পড়ে যায়। তো ঐ সমস্ত টাইলসের দাঁগ তোলার ক্ষেত্রে আপনি ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। কোন একটা মুছনি নিবেন এবং সেটার মধ্যে ব্লিচিং পাউডার এবং অল্প পরিমাণ পানি নিয়ে নেবেন। অতঃপর পানি এবং ব্লিচিং পাউডার একসাথে মিশ্রণ করে ওই মুছনির সাহায্যে টাইলসের মধ্যে ঘষুন, দেখবেন এভাবে ঘষার দ্বারা খুব সহজেই টাইলস পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।  FAQ  প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার মুখে দিলে কি হয়? উত্তর: ব্লিচিং পাউডার মুখে দেওয়ার দ্বারা মারাত্মক ধরনের ক্ষতি সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যদি কোন সময় অসতর্কতা বসত ব্লিচিং পাউডার মুখে চলে যায় তাহলে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।  প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার কি কাজে ব্যবহার হয়? উত্তর: ব্লিচিং পাউডার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন কাপড়ের দাগ তোলা, জমি থেকে ক্ষতিকর বস্তু দূর করা, মাছ চাষের পুকুর থেকে পানির গ্যাস দূর করা, টাইলস পরিষ্কার করা, প্রস্রাব পায়খানার দুর্গন্ধ এড়ানো ইত্যাদি।  প্রশ্ন: টাইলসের কালো দাগ দূর করার উপায় কী? উত্তর: টাইলসে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ঘর্ষন করলেই টাইলসের কালো দাগ দূর হয়ে যায়।  প্রশ্ন: টাইলস কিভাবে পরিষ্কার করা যায়? উত্তর: পরিমাণ মতো ব্লিচিং পাউডার ও পানি মিশিয়ে কোন একটি মুছনির সাহায্যে ঘর্ষণ করার দ্বারাই টাইলস পরিষ্কার করা হয়।  প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার কত টাকা কেজি? উত্তর: নিম্নমানের ব্লিচিং পাউডার ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি। আর ভালো মানের মিহি ব্লিচিং পাউডার এর কেজি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা।  প্রশ্ন ব্লিচিং পাউডার কোথায় পাওয়া যায়? উত্তর: সাধারণত বাজারের বিভিন্ন মনিহারির দোকানেই ব্লিচিং পাউডার পাওয়া যায়। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে তো আছেই।  শেষ কথা   আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্লিচিং পাউডার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। উপরের সাধারণত কাপড়ের তিলা উঠানো সহ আরো বিভিন্ন কাজের ধরন ও পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। এছারাও ব্লিচিং পাউডার সম্পর্কিত আরো কিছু প্রশ্নোত্তর উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি আপনি আমার আর্টিকেলটি যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের ক্ষেত্র ও নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।


সাদা কাপড়ে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম

সর্বপ্রথম আপনি আপনার পাঞ্জাবি কিংবা শার্ট অথবা প্যান্ট যেটাই হোক না কেন সেটা নিবেন। এবং খুব ভালোভাবে হুইল পাউডার বা অন্য যেকোনো সাবান দিয়ে ধুয়ে নিবেন। তবে সাবধান হুইল পাউডার বা সাবানের সাথে ব্লিচিং পাউডার দিবেন না, কেননা অনেকেই এরকম ভুল করে থাকে দুইটা একসাথে মিশিয়ে দিয়ে দেয়। তো যাই হোক ভালোভাবে কাপড়টা ধৌত করার পর, আলাদা একটা পাত্রে কাপড়ের পরিমান মত পানি নিয়ে নিবেন। 

অতঃপর ওই পানিতে পরিমাণ মতো ব্লিচিং পাউডার দিয়ে দিবেন, দিয়ে দেওয়ার পর কাপড়টা ওই পানির মধ্যে চুবিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিবেন। যাতে করে সমস্ত কাপড়ের মধ্যে ওই ব্লিচিং পাউডারের পানিটা পৌঁছে যায়। এভাবে আপনি ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ব্লিচিং পাউডারের পানিতে কাপড়টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর যখন কাপড়টা তুলবেন তখন দেখবেন আপনার কাপড় থেকে তিলা সহ আরো অন্যান্য সমস্ত দাগ সুন্দর করে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে অবশ্যই ব্লিচিং পাউডারের সাথে সুডা মিশিয়ে নিবেন, অর্থাৎ ব্লিচিং পাউডার যতটুকু পরিমাণ নিবেন ঠিক ততটুকু পরিমাণ সুডাও নিয়ে নিবেন। আর কাপড়ের দাগ বা তিলা যদি বিস্তৃত না হয়ে কোন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় হয় তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে সমস্ত কাপড় ব্লিচিং পাউডার এর পানিতে না ভিজিয়ে ওই নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যেই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করবেন।

সতর্কতা: কেউ সুতি কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করবেন না, কেননা এতে আপনার সুতি কাপড় ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লিসিং পাউডার শুধুমাত্র শক্ত, পিছলা, টোরের ও মাইক্রো কাপড়ের মধ্যে ব্যবহারযোগ্য। কাজেই কেউ অযথাই না বুঝে আপনার সুতি কাপড়ের মধ্যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে আপনার কাপড়টি নষ্ট করবেন না।

জমিতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম

জমির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় ও ক্ষতিকর বস্তু ধ্বংস করতে এই ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। জমিতে ফসল ফলানোর ১৫ থেকে ২০ দিন পূর্বে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে হয়। আপনি শুকনো ভালো কিংবা ছাইয়ের সাথে মিশিয়ে ব্লিচিং পাউডার জমিতে ব্যবহার করতে পারেন, অথবা জমিতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে অল্প পরিমাণ পানিও দিতে পারেন। তবে সতর্ক থাকতে হবে ব্লিচিং পাউডারের পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়। 

আপনি চাইলে প্রতি এক কাঠা অর্থাৎ ১০ শতাংশ জমিতে ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। এর বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।

পুকুরে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের নিয়ম

পুকুরে অনেক সময় গ্যাস সহ পানি নষ্ট হয়ে যায় যার কারণে পুকুরে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। তবে অবশ্যই পুকুরে মাছ ছাড়ার ১২ থেকে ১৫ দিন পূর্বে এই পাউডার ব্যবহার করবেন। আর পুকুরেও ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যাতে করে ব্লিচিং পাউডারের পরিমাণ বেশি না হয়ে যায়। কেননা পাউডারের পরিমাণ যদি বেশি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে পরবর্তীতে মাছের উপর ইফেক্ট পড়তে পারে।

ব্লিচিং পাউডার দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার

টয়লেটে এবং ইস্তেঞ্জাখানায় প্রায় সময় অনেকের দুর্গন্ধ এবং আবর্জনা যুক্ত হয়ে যায়। তো সেক্ষেত্রে আপনি টয়লেটে বা ইস্তেঞ্জাখানায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। টয়লেটে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের তেমন কোন নীতিমালা নেই। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে শুকনো ব্লিচিং পাউডার আপনি টয়লেটের আশেপাশে ছিটিয়ে দিতে পারেন। এতে করে জীবাণু ও দুর্গন্ধ উঢয়টায়-ই দূর হয়ে যাবে।

ব্লিচিং পাউডার দিয়ে টাইলস পরিষ্কার

অনেকের বাসা বাড়িতে বা বাথরুমের মধ্যে লাগানোর টাইলসে ময়লা বা এক ধরনের দাগ পড়ে যায়। তো ঐ সমস্ত টাইলসের দাঁগ তোলার ক্ষেত্রে আপনি ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। কোন একটা মুছনি নিবেন এবং সেটার মধ্যে ব্লিচিং পাউডার এবং অল্প পরিমাণ পানি নিয়ে নেবেন। অতঃপর পানি এবং ব্লিচিং পাউডার একসাথে মিশ্রণ করে ওই মুছনির সাহায্যে টাইলসের মধ্যে ঘষুন, দেখবেন এভাবে ঘষার দ্বারা খুব সহজেই টাইলস পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।

FAQ

প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার মুখে দিলে কি হয়?

উত্তর: ব্লিচিং পাউডার মুখে দেওয়ার দ্বারা মারাত্মক ধরনের ক্ষতি সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যদি কোন সময় অসতর্কতা বসত ব্লিচিং পাউডার মুখে চলে যায় তাহলে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।

প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার কি কাজে ব্যবহার হয়?

উত্তর: ব্লিচিং পাউডার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন কাপড়ের দাগ তোলা, জমি থেকে ক্ষতিকর বস্তু দূর করা, মাছ চাষের পুকুর থেকে পানির গ্যাস দূর করা, টাইলস পরিষ্কার করা, প্রস্রাব পায়খানার দুর্গন্ধ এড়ানো ইত্যাদি।

প্রশ্ন: টাইলসের কালো দাগ দূর করার উপায় কী?

উত্তর: টাইলসে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ঘর্ষন করলেই টাইলসের কালো দাগ দূর হয়ে যায়।

প্রশ্ন: টাইলস কিভাবে পরিষ্কার করা যায়?

উত্তর: পরিমাণ মতো ব্লিচিং পাউডার ও পানি মিশিয়ে কোন একটি মুছনির সাহায্যে ঘর্ষণ করার দ্বারাই টাইলস পরিষ্কার করা হয়।

প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার কত টাকা কেজি?

উত্তর: নিম্নমানের ব্লিচিং পাউডার ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি। আর ভালো মানের মিহি ব্লিচিং পাউডার এর কেজি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা।

প্রশ্ন ব্লিচিং পাউডার কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: সাধারণত বাজারের বিভিন্ন মনিহারির দোকানেই ব্লিচিং পাউডার পাওয়া যায়। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে তো আছেই।

আরও পড়ুন

শেষ কথা 

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্লিচিং পাউডার বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। উপরের সাধারণত কাপড়ের তিলা উঠানো সহ আরো বিভিন্ন কাজের ধরন ও পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। এছারাও ব্লিচিং পাউডার সম্পর্কিত আরো কিছু প্রশ্নোত্তর উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি আপনি আমার আর্টিকেলটি যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারের ক্ষেত্র ও নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন