এলইডি টিউব লাইট এর কথা বলতে গেলে মনে হয় যায় আমাদের সেই পুরনো দিনের কথা। অর্থাৎ একসময় আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে বাসায় বাজারে দোকানে টিউবলাইট গুলোই ব্যবহার করা হতো, কিন্তু বর্তমান সময়ে বাজারে বিভিন্ন ধরনের লাইট আসার কারণে এখন টিউবলাইট গুলো আর আগের মতো মানুষেরা ব্যবহার করে না।
যদিও আগের মত মানুষেরা টিউবলাইট ব্যবহার করে না তবুও অনেকে আছে যারা টিউবলাইট ব্যবহার করতে চায়। তবে যারা টিউবলাইট ব্যবহার করতে চান বা কিনতে চান মূলত তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেলটি, আজকের এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন টিউবলাইট এর দাম কত? এছাড়াও টিউবলাইট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন আজকের এই আর্টিকেলে তো বন্ধুরা চলুন তাহলে এলইডি টিউব লাইট সম্পর্কিত আজকের আর্টিকেলটি শুরু করি।
আরও পড়ুন
এলইডি টিউব লাইট এর দাম কত
তো বন্ধুরা টিউবলাইট বিভিন্ন কোম্পানির হয়ে থাকে, অর্থাৎ অন্যান্য এলইডি লাইট যেমনভাবে একেক কোম্পানির এক একটি লাইট হয়ে থাকে টিউব লাইটের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনি। তো আজকে আমি আপনাদের সাথে যেই টিউব লাইট নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে ওসাকা ব্র্যান্ডের ৪০ ওয়াট এর একটি টিউবলাইট। ওসাকা ব্র্যান্ডের ৪০ ওয়াটের এলইডি টিউব লাইট এর দাম হচ্ছে মাত্র ৬৫০ টাকা, অর্থাৎ ৬৫০ টাকা দিয়েই আপনি ৪০ ওয়াটের টিউব লাইট টি কিনতে পারবেন।
৪০ ওয়াটের এই টিউবলাইট টি যদি আপনি ৬৫০ টাকায় ক্রয় করেন তাহলে পেয়ে যাবেন দুই বছরের গ্যারান্টি, সাধারণত এই সমস্ত টিউবলাইট গুলোর মধ্যে কোন ধরনের গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি দেওয়া হয় না, কিন্তু ইহা সত্বেও ওসাকা কোম্পানি দুই বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে। দুই বছরের ভিতরে আপনার কাঙ্ক্ষিত টিউবলাইট টি যদি নষ্ট হয়ে যায় বা অন্য কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই আপনি রিপ্লেসমেন্ট করে নিতে পারবেন, এই লাইটটি কেনার ক্ষেত্রে আরো একটি সুবিধা হচ্ছে যতবার এই লাইটটি ২ বছরের ভিতরে নষ্ট হবে ততবারই আপনি রিপ্লেসমেন্ট করতে পারবেন।
এলইডি টিউব লাইট এর বৈশিষ্ট্য
এলইডি টিউব লাইট এর অনেক গুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে এরমধ্য হতে আপনি প্রথম বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরতে পারেন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। অর্থাৎ আপনি যদি টিউবলাইট ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই অবশ্যই অন্যান্য লাইট থেকে অনেকগুণ বিদ্যুৎ কম খরচ হবে, এছাড়াও এই লাইফটির আরো একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইউটিউব লাইটের আলো হচ্ছে একদম ধবধবে সাদা যে কারণে এই লাইটের আলোর কারণে সাধারণত চোখের মধ্যে কোন রকমের ইফেক্ট পড়ে না।
তো বন্ধুরা এগুলো ছাড়াও এলইডি টিউব লাইটের আরো অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তো সেক্ষেত্রে কথা হচ্ছে এই লাইটগুলো কিছুদিন পূর্বে অর্থাৎ আগে প্রচুর পরিমাণে মানুষের ব্যবহার করত। কিন্তু বর্তমানে বলতে গেলে ব্যবহার একেবারেই কম, তবে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানে সভা সামগ্রী কাজে এই লাইটগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তো যাই হোক এতক্ষণ আমরা জানলাম টিউবলাইট এর দাম ও বিভিন্ন ফিচার সম্পর্কে তো আসুন এবার আমরা জেনে নেই টিউবলাইট এর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
টিউবলাইট এর সুবিধা ও অসুবিধা
আসুন প্রথমেই আমরা জেনে নেই টিউবলাইট এর সুবিধা তারপর জানব টিউবলাইট এর অসুবিধা গুলো। টিউবলাইট এর সুবিধা: টিউবলাইট খুব কম বিল গ্রহণ করে অর্থাৎ একেবারেই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বললেই চলে, টিউব লাইটের আলোটা খুব স্মুথ হয়ে থাকে, এছাড়াও টিউবলাইট দিনের আলোর ন্যায় রাত্রে সাদা আলো দিয়ে থাকে।
টিউবলাইট এর অসুবিধা: সাধারণত একটি টিউবলাইট যদি আপনি প্রজ্বলিত করতে চান সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিদ্যুতের ভোল্টেজ সাড়ে ৭০০ থেকে ১০০০ থাকতে হবে, যদি এর কমে ভোল্টেজ থাকে সে ক্ষেত্রে টিউব লাইট কিন্তু জ্বলবে না। তবে টিউবলাইট জ্বলার পর এই লাইটটি কেবলমাত্র 110 ভোল্টেজ গ্রহণ করবে আর বাকিটুকু স্টার্টারে জমা থাকে। টিউবলাইট আরো একটু অসুবিধা হচ্ছে লাইট জ্বলা কালিন সময় যদি বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যায় সেক্ষেত্রে টিউবলাইট অটোমেটিক অফ হয়ে যায়, পুনরায় আবার যখন বিদ্যুতের ভোল্টেজ বেড়ে যায় তখন টিউবলাইট টি অটোমেটিক জ্বলে হয়ে যায়।
রড লাইটের দাম কত
রড লাইটের দাম সাধারণত ২৬০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ বা ১০৫০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। অর্থাৎ এবং ওয়াট অনুযায়ী দামটা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
যেমন লাইট যদি দুই ফিট হয় অর্থাৎ ছোট সাইজ ১০ থেকে ২০ ওয়াট তাহলে একটার দাম পড়বে ২৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। আর লাইট যদি ৪ ফিট হয় বড় সাইজ অর্থাৎ ৪০ ওয়াট বা ৪০ থেকে ৬০ ওয়াটের মধ্যে তাহলে এর দাম পড়বে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১১০০ টাকা পর্যন্ত।
প্রশ্ন: টিউব লাইট কত ওয়াট
উত্তর: টিউবলাইট সাধারণত দুইটি সাইজের হয়ে থাকে, একটি হচ্ছে 20 ওয়াট এর এবং অপরটি হচ্ছে 40 ওয়াটের। আবার ১৮ ওয়াট এবং 22 ওয়াটের টিউবলাইটও পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: টিউব লাইট কত ইঞ্চি লম্বা
উত্তর: তো বন্ধুরা সাধারণত ২০ ওয়াটের টিউবলাইট গুলো দুই ইঞ্চি এবং ৪০ ওয়াটের টিউব লাইট গুলো ৪ ইঞ্চির মত লম্বা হয়ে থাকে।
প্রশ্ন: টিউব লাইট কি গ্যাস থাকে
উত্তর: হ্যা টিউব লাইট এ গ্যাস ব্যবহার করা হয়, সাধারণত টিউবলাইটে আর্গন ও নিয়ন নামক গ্যাস থাকে।
প্রশ্ন: টিউব লাইটে চোক কয়েলের কাজ কি
উত্তর: টিউবলাইট জ্বালাতে হলে সাধারণত চোক কয়েল ব্যবহার করা হয়। আর এই টিউবলাইটের চোক কয়েল ই সাধারণত বিদ্যুতকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাশাপাশি ভোল্টেজ ঠিক রাখে, তো আশা করি টিউবলাইট এর চোক কয়েলের কাজটা বুঝতে পেরেছেন।
প্রশ্ন: টিউব লাইটের ব্যালাস্ট এর কাজ কি
উত্তর: টিউব লাইটের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ব্যালাস্ট, টিউবলাইটকে সঠিকভাবে প্রজ্বলিত করতে এবং কারেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে ভোল্টেজ ঠিক রাখতে ব্যালাস্ট এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
প্রশ্ন: সুপার স্টার এলইডি টিউব লাইটের দাম কত?
উত্তর: সুপারস্টার এলইডি টিউবলাইট এর দাম সাধারণত ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থাৎ লাইটের ওয়াট ও কোয়ালিটি অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন ধরনের মূল্য হয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ওয়ালটন এলইডি লাইটের দাম কত?
উত্তর: ওয়ালটন এলইডি লাইটের দামও ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থ্যাৎ লাইটের ওয়াট এর উপর ভিত্তি করে।
আরও পড়ুন
শেষ কথা টিউব লাইটের দাম কত
তো সম্মানিত পাঠক ও পাটিকা গন আজকে আমি এলইডি টিউবলাইট এর দাম সহ টিউবলাইট এর বৈশিষ্ট্য সুবিধা ও অসুবিধা আপনাদের সাথে উল্লেখ করেছি, এছাড়াও টিউবলাইট সম্পর্কিত যে প্রশ্নগুলো মানুষেরা google সার্চ করে থাকে, আমি সে গুলেও উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। টিউবলাইট সম্পর্কিত সব কিছু জানার পর অর্থাৎ সুবিদা এবং অসুবিধাগুলো জানার পর এখন আপনি বিবেচনা করে দেখবেন যে আপনার জন্য টিউব লাইট কিনা উচিত হবে কিনা? যদি মনে করেন আপনার জন্য কেনা উচিত হলে তাহলে আপনি কিনতে পারেন অন্য তাই আপনার উপরই ছেড়ে দিলাম।
Tags:
Electric-product
