ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ | মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম

ব্লুটুথ স্পিকার, মোবাইল টিভি কিংবা ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেকের মোবাইলের সাউন্ড কম থাকার কারণে বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সবাই একসাথে থাকলে নিউজ মিউজিক ইত্যাদি শুনতে অসুবিধা হয় যার কারণে ব্লুটুথ স্পিকার মোবাইলের সাথে কানেক্ট করা হয়। এত করে সবাই একসাথে বসে আড্ডা মস্তি সহ আনন্দ ফুর্তি করা যায়। 

ব্লুটুথ স্পিকার অনেক ধরনের রয়েছে যেমন বড় মাঝারি কিংবা মিনি ব্লুটুথ স্পিকার। তাই ক্রেতারা তাদের সমস্যা নিরসনের জন্য অনলাইনে ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ কিংবা মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম কত? এরকম কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে থাকে। আজকের আর্টিকেলে বিভিন্ন প্রকার ব্লুটুথ স্পিকারের প্রাইস উল্লেখ করে এই সম্পর্কিত আরও বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হবে।

ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ | মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম  ব্লুটুথ স্পিকার মোবাইল টিভি কিংবা ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেকের মোবাইলের সাউন্ড কম থাকার কারণে বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সবাই একসাথে থাকলে নিউজ মিউজিক ইত্যাদি শুনতে অসুবিধা হয় যার কারণে ব্লুটুথ স্পিকার মোবাইলের সাথে কানেক্ট করা হয়। এত করে সবাই একসাথে বসে আড্ডা মস্তি সহ আনন্দ ফুর্তি করা যায়।   ব্লুটুথ স্পিকার অনেক ধরনের রয়েছে যেমন বড় মাঝারি কিংবা মিনি ব্লুটুথ স্পিকার। তাই ক্রেতারা তাদের সমস্যা নিরসনের জন্য অনলাইনে ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ কিংবা মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম কত? এরকম কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে থাকে। আজকের আর্টিকেলে বিভিন্ন প্রকার ব্লুটুথ স্পিকারের প্রাইস উল্লেখ করে এই সম্পর্কিত আরও বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হবে।  আরও পড়ুন ভিশন ইলেকট্রিক কেটলি দাম ২০২৬ ভিশন ব্লেন্ডার মেশিন দাম বাংলাদেশ মিনি মাল্টি কুকার দাম কত  ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ  কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ব্যবহার করার জন্য সবথেকে কম দামে যে ব্লুটুথ স্পিকারটি পাওয়া যায় সেটির মডেল হচ্ছে MK D10 3D। এই মডেলের ব্লুটুথ স্পিকারটির প্রাইস হচ্ছে মাত্র ৩৬০ টাকা। কিন্তু বিভিন্ন দোকানদাররা এটাকে ৪০০ টাকা বা তার বেশিও বিক্রি করে।  কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ব্যবহার করার জন্য আরো একটি জনপ্রিয় স্পিকার হচ্ছে EDIFIER ব্র্যান্ডের r12u মডেলের। এই স্পিকারটি খুবই জনপ্রিয় এবং অধিক বিক্রিত একটি প্রডাক্ট। স্পিকারটির প্রাইস হচ্ছে বাংলাদেশে মাত্র ১৮০০ টাকা এটির সাথে এক বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন, এটির রয়েছে তিনটি কালার লাল কালো এবং সাদা। আপনার পছন্দমত যে কোন একটি কালার আপনি চয়েস করতে পারেন।  তবে একটি কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়ারেন্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রোডাক্ট কি আপনার সঠিক থাকতে হবে অর্থাৎ প্রোডাক্টটি যেন ফেটে না যায় বা ভেঙ্গে না যায় যদি ফেটে যায় কিংবা ভেঙ্গে যায় সে ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি পাবেন না। এই তথ্যটি শুধুমাত্র এই স্পিকারের জন্য নয় বরঞ্চ সমস্ত স্পিকার এর ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য।  এগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্লুটুথ স্পিকার রয়েছে। যেগুলোতে রয়েছে রিচার্জেবল সিস্টেম এবং বড় ধরনের ব্যাটারি ব্যাকআপ। যার কারণে আপনি ট্যুরে অফিসে কিংবা যে কোন জায়গায় খুব অনায়াসেই ছয় থেকে সাত ঘন্টা ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলো দাম মডেল ও কোয়ালিটি অনুযায়ী ১৫০০, ১৮০০, ২৫০০, ২৮০০ টাকা সহ আরো বেশিও হয়ে থাকে।  jbl ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ  jbl ব্লুটুথ স্পিকার একটি জনপ্রিয় ব্লেন্ড, বাংলাদেশের মধ্যে জেবিএল ব্র্যান্ডের স্পিকার গুলো ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে এক লক্ষ টাকার উপরেও পাওয়া যায়। তবে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করার জন্য এত বড় স্পিকার এর প্রয়োজন হয় না। তবে অনেকেই আছেন সৌখিন যারা টাকার চিন্তা করেন না তাদের জন্য jbl এর ভালো একটা মডেলের প্রাইস নিচে দিলাম এরপর jbl এর আরও মডেল তো থাকছেই।  jbl ব্র্যান্ডের হাই কোয়ালিটির একটি ব্লুটুথ স্পিকার হচ্ছে JBL Xtreme 4। এটি খুব কম মানুষ এই ব্যবহার করে থাকে এই মডেলটির বর্তমান প্রাইস হচ্ছে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বিভিন্ন দোকানে সেইম একই মডেলের স্পিকারটি ২৯ হাজার কিংবা ৩০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। প্লিজ পিকআপ এর মধ্যে পাবেন ৮০ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাওয়ার, যা কিনা অসাধারণ। খুবই ভালো মানের ব্যাটারি এখানে ব্যবহার করা হয়েছে এবং ব্যাটারিটি এমন ভাবে লাগানো হয়েছে যেটা পরিবর্তন যোগ্য।  বর্তমানে jbl এর সবচাইতে বেশি যেই সিরিজের প্রোডাক্ট কি বিক্রি হচ্ছে সেটি হচ্ছে Jbl go। JBL GO 4 ব্লুটুথ স্পিকার এর প্রাইস হচ্ছে ৫২০০ টাকা ও JBL GO 5 এর প্রাইস হচ্ছে ৬৪০০ টাকা। তবে অনেকেই দুইটা প্রোডাক্ট এর ক্ষেত্রেই ৪ থেকে ৫০০ টাকা কম বেশি করে বিক্রি করে, তাই আপনি কিনার সময় অবশ্যই বর্তমান প্রাইস যাচাই করে নিবেন। JBL GO 4 এরমধ্যে আপনি পেয়ে যাবেন ৮৫০ mAh এর ব্যাটারি টাইপ সি দিয়ে সম্পূর্ণ চার্জ করতে সময় লাগবে প্রায় তিন ঘণ্টার মতো। একবার চার্জ করে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন ৮ ঘন্টা।  JBL GO 5 এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৩.৮৫ mAh এর বিশাল এক ব্যাটারি যেটা দিয়ে আপনি অনায়াসে একাধারে নয় ঘন্টার মত ব্যবহার করতে পারবেন। এবং টাইপ সি চার্জার দিয়ে এই বিশাল ব্যাটারির স্পিকারটিকে তিন ঘন্টা বা তার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই ফুল চার্জ করে নিতে পারবেন। উল্লেখিত দুইটা মডেলে-ই ওয়াটারপ্রুফ এবং সাউন্ড কোয়ালিটির দিক দিয়ে খুবই শক্তিশালী।  JBL Clip 5 মডেলের স্পিকারটিও ওয়াটারপ্রুফ এবং এর প্রাইস হচ্ছে ছয় হাজার পাঁচশ টাকা। এর মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছে ১৪০০ mAh এর ব্যাটারি, যার কারণে আপনি এক চার্জে ১৩ ঘণ্টার মতো ব্যবহার করতে পারবেন। সেটাতে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা তো পাচ্ছেন-ই।  jbl এর হাই কোয়ালিটি এবং ডিমান্ডেবল আরও একটি প্রডাক্ট হচ্ছে JBL Flip 7 এই মডেলটির বর্তমানে বাংলাদেশের প্রাইস ১২৯০০ টাকা। সাউন্ড কোয়ালিটির ক্ষেত্রে ৩৫ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাবেন সেই সাথে আকর্ষণীয় ব্যাটারি তো থাকছেই। যেটাকে আপনি একটা ব্যবহার করতে পারবেন দীর্ঘ ১৫ ঘন্টা। এবং সম্পূর্ণ চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র আড়াই ঘন্টা।  awei ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ  awei এর মধ্যেও জনপ্রিয় অনেক মডেল রয়েছে যেগুলো বর্তমান মার্কেটে ভালই চলতেছে। এরকম-ই একটি মডেল হচ্ছে Awei Y333, এটার বর্তমান মার্কেট প্রাইস হচ্ছে ২১০০ টাকা। দয়া করে ২২০০ কিংবা ২৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতেছে, তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে যারা বেশি দামে বিক্রি করতেছে তারা দেখা যাচ্ছে ওয়ারেন্টি দিচ্ছে সর্বোচ্চ তিন মাসের।  এটাতে ১০ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাবেন সেই সাথে পাবেন ১৮০০ mAh এর বড় ব্যাটারি। ফুল চার্জ হতে সময় লাগবে তিন ঘন্টার কিছু বেশি সময় এবং প্লে করতে পারবেন ৭ ঘন্টার মত।  awei এর বড় ব্যাটারির একটি ব্লুটুথ স্পিকার তার মডেল হচ্ছে Awei KA8। এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ২০০০mAh এর অনেক বড় ব্যাটারি, তবে আপনি আড়াই ঘন্টার মধ্যেই ফুল চার্জ করে নিতে পারবেন। এবং এক চার্জে সর্বোচ্চ ছয় ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ নিতে পারবেন। awei এর উল্লেখিত দুইটা মডেল ব্যতিত আরো অনেক মডেল হয়েছে যেগুলোর দামও বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন এই মডেলের ব্লুটুথ স্পিকার গুলোর প্রাইস জেবিএল এর ব্লুটুথ স্পিকার থেকে অনেকটাই এরকম।  মিনি ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ  মিনি ব্লুটুথ স্পিকার এর মধ্যে JBL M3-T সবচাইতে সুন্দর ও জনপ্রিয় অধিক বিক্রিত একটি প্রডাক্ট। JBL M3-T মডেলের মিনি ব্লুটুথ স্পিকারের প্রাইস হচ্ছে ৩৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। অর্থাৎ এই মডেলের মধ্যেই দুইটা কোয়ালিটি রয়েছে নিম্নমানের কোয়ালিটির প্রডাক্টির প্রাইস হচ্ছে ৩৫০ টাকা ও গুনগত মানের ভালো কোয়ালিটিফুল প্রডাক্টির প্রাইস হচ্ছে ৮৫০ টাকা।  সাউন্ড এর দিক দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাওয়া যায়, প্রোডাক্টটি দেখতে খুবই সুন্দর। এই মিনি ব্লুটুথ স্পিকারটি আকারে ছোট হওয়ার কারণে হাতের তালু হাতের মুঠে কিংবা পকেটে রেখে দেওয়া যায়। আপনি চাইলে অসাধারণ এই স্পিকারটি ব্যবহার করতে পারবেন।  কোন ব্লুটুথ স্পিকার সবচেয়ে ভালো?  বাজারে জেবিএল সহ আরো বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডের ব্লুটুথ স্পিকার পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে জেবিএল ব্লুটুথ স্পিকার অন্যতম, কেননা তারা দীর্ঘদিন ধরে মার্কেটে তাদের প্রোডাক্টের গুণগতমান ধরে রেখেছে। এই কারণে jbl ব্লুটুথ স্পিকার সবচেয়ে ভালো।  ব্লুটুথ স্পিকার কোথায় পাওয়া যায়? বাজারে ইলেকট্রিক দোকান গুলোর মধ্যে ব্লুটুথ স্পিকার পাওয়া যায়। তবে আপনি চাইলে অনলাইন থেকেও ক্রয় করতে পারেন, কেননা বর্তমান সময়ে অনলাইনে সকল প্রডাক্ট পাওয়া যায়।  আরও পড়ুন ১ কেজি শুকনা মরিচের দাম কত  শুকনা মরিচের ব্যবসা  মরিচের গুঁড়া দাম ২০২৬  মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম নিয়ে শেষ কথা  আজকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও বিভিন্ন মডেলের ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্লুটুথ স্পিকার একটি প্রয়োজনীয় পন্য কাজেই আপনি ব্লুটুথ স্পিকারটি কোন কাজে ব্যবহারের জন্য কিনবেন সেটা বিবেচনা করে তারপর ক্রয় করবেন। এবং পরিশেষে আরও একটি কথা আপনি যখনই এই প্রোডাক্টটি কিনবেন তখন আপডেট দাম জেনে তারপর স্পিকারটি কিনবেন। আশা করি আমার আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন।


আরও পড়ুন

ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ

কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ব্যবহার করার জন্য সবথেকে কম দামে যে ব্লুটুথ স্পিকারটি পাওয়া যায় সেটির মডেল হচ্ছে MK D10 3D। এই মডেলের ব্লুটুথ স্পিকারটির প্রাইস হচ্ছে মাত্র ৩৬০ টাকা। কিন্তু বিভিন্ন দোকানদাররা এটাকে ৪০০ টাকা বা তার বেশিও বিক্রি করে।

কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ব্যবহার করার জন্য আরো একটি জনপ্রিয় স্পিকার হচ্ছে EDIFIER ব্র্যান্ডের r12u মডেলের। এই স্পিকারটি খুবই জনপ্রিয় এবং অধিক বিক্রিত একটি প্রডাক্ট। স্পিকারটির প্রাইস হচ্ছে বাংলাদেশে মাত্র ১৮০০ টাকা এটির সাথে এক বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন, এটির রয়েছে তিনটি কালার লাল কালো এবং সাদা। আপনার পছন্দমত যে কোন একটি কালার আপনি চয়েস করতে পারেন।

তবে একটি কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়ারেন্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রোডাক্ট কি আপনার সঠিক থাকতে হবে অর্থাৎ প্রোডাক্টটি যেন ফেটে না যায় বা ভেঙ্গে না যায় যদি ফেটে যায় কিংবা ভেঙ্গে যায় সে ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি পাবেন না। এই তথ্যটি শুধুমাত্র এই স্পিকারের জন্য নয় বরঞ্চ সমস্ত স্পিকার এর ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য।

এগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্লুটুথ স্পিকার রয়েছে। যেগুলোতে রয়েছে রিচার্জেবল সিস্টেম এবং বড় ধরনের ব্যাটারি ব্যাকআপ। যার কারণে আপনি ট্যুরে অফিসে কিংবা যে কোন জায়গায় খুব অনায়াসেই ছয় থেকে সাত ঘন্টা ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলো দাম মডেল ও কোয়ালিটি অনুযায়ী ১৫০০, ১৮০০, ২৫০০, ২৮০০ টাকা সহ আরো বেশিও হয়ে থাকে।

jbl ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ

jbl ব্লুটুথ স্পিকার একটি জনপ্রিয় ব্লেন্ড, বাংলাদেশের মধ্যে জেবিএল ব্র্যান্ডের স্পিকার গুলো ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে এক লক্ষ টাকার উপরেও পাওয়া যায়। তবে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করার জন্য এত বড় স্পিকার এর প্রয়োজন হয় না। তবে অনেকেই আছেন সৌখিন যারা টাকার চিন্তা করেন না তাদের জন্য jbl এর ভালো একটা মডেলের প্রাইস নিচে দিলাম এরপর jbl এর আরও মডেল তো থাকছেই।

jbl ব্র্যান্ডের হাই কোয়ালিটির একটি ব্লুটুথ স্পিকার হচ্ছে JBL Xtreme 4। এটি খুব কম মানুষ এই ব্যবহার করে থাকে এই মডেলটির বর্তমান প্রাইস হচ্ছে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বিভিন্ন দোকানে সেইম একই মডেলের স্পিকারটি ২৯ হাজার কিংবা ৩০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। প্লিজ পিকআপ এর মধ্যে পাবেন ৮০ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাওয়ার, যা কিনা অসাধারণ। খুবই ভালো মানের ব্যাটারি এখানে ব্যবহার করা হয়েছে এবং ব্যাটারিটি এমন ভাবে লাগানো হয়েছে যেটা পরিবর্তন যোগ্য।

বর্তমানে jbl এর সবচাইতে বেশি যেই সিরিজের প্রোডাক্ট কি বিক্রি হচ্ছে সেটি হচ্ছে Jbl go। JBL GO 4 ব্লুটুথ স্পিকার এর প্রাইস হচ্ছে ৫২০০ টাকা ও JBL GO 5 এর প্রাইস হচ্ছে ৬৪০০ টাকা। তবে অনেকেই দুইটা প্রোডাক্ট এর ক্ষেত্রেই ৪ থেকে ৫০০ টাকা কম বেশি করে বিক্রি করে, তাই আপনি কিনার সময় অবশ্যই বর্তমান প্রাইস যাচাই করে নিবেন। JBL GO 4 এরমধ্যে আপনি পেয়ে যাবেন ৮৫০ mAh এর ব্যাটারি টাইপ সি দিয়ে সম্পূর্ণ চার্জ করতে সময় লাগবে প্রায় তিন ঘণ্টার মতো। একবার চার্জ করে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন ৮ ঘন্টা।

JBL GO 5 এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৩.৮৫ mAh এর বিশাল এক ব্যাটারি যেটা দিয়ে আপনি অনায়াসে একাধারে নয় ঘন্টার মত ব্যবহার করতে পারবেন। এবং টাইপ সি চার্জার দিয়ে এই বিশাল ব্যাটারির স্পিকারটিকে তিন ঘন্টা বা তার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই ফুল চার্জ করে নিতে পারবেন। উল্লেখিত দুইটা মডেলে-ই ওয়াটারপ্রুফ এবং সাউন্ড কোয়ালিটির দিক দিয়ে খুবই শক্তিশালী।

JBL Clip 5 মডেলের স্পিকারটিও ওয়াটারপ্রুফ এবং এর প্রাইস হচ্ছে ছয় হাজার পাঁচশ টাকা। এর মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছে ১৪০০ mAh এর ব্যাটারি, যার কারণে আপনি এক চার্জে ১৩ ঘণ্টার মতো ব্যবহার করতে পারবেন। সেটাতে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা তো পাচ্ছেন-ই।

jbl এর হাই কোয়ালিটি এবং ডিমান্ডেবল আরও একটি প্রডাক্ট হচ্ছে JBL Flip 7 এই মডেলটির বর্তমানে বাংলাদেশের প্রাইস ১২৯০০ টাকা। সাউন্ড কোয়ালিটির ক্ষেত্রে ৩৫ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাবেন সেই সাথে আকর্ষণীয় ব্যাটারি তো থাকছেই। যেটাকে আপনি একটা ব্যবহার করতে পারবেন দীর্ঘ ১৫ ঘন্টা। এবং সম্পূর্ণ চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র আড়াই ঘন্টা।

awei ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ

awei এর মধ্যেও জনপ্রিয় অনেক মডেল রয়েছে যেগুলো বর্তমান মার্কেটে ভালই চলতেছে। এরকম-ই একটি মডেল হচ্ছে Awei Y333, এটার বর্তমান মার্কেট প্রাইস হচ্ছে ২১০০ টাকা। দয়া করে ২২০০ কিংবা ২৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতেছে, তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে যারা বেশি দামে বিক্রি করতেছে তারা দেখা যাচ্ছে ওয়ারেন্টি দিচ্ছে সর্বোচ্চ তিন মাসের।

এটাতে ১০ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাবেন সেই সাথে পাবেন ১৮০০ mAh এর বড় ব্যাটারি। ফুল চার্জ হতে সময় লাগবে তিন ঘন্টার কিছু বেশি সময় এবং প্লে করতে পারবেন ৭ ঘন্টার মত।

awei এর বড় ব্যাটারির একটি ব্লুটুথ স্পিকার তার মডেল হচ্ছে Awei KA8। এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ২০০০mAh এর অনেক বড় ব্যাটারি, তবে আপনি আড়াই ঘন্টার মধ্যেই ফুল চার্জ করে নিতে পারবেন। এবং এক চার্জে সর্বোচ্চ ছয় ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ নিতে পারবেন। awei এর উল্লেখিত দুইটা মডেল ব্যতিত আরো অনেক মডেল হয়েছে যেগুলোর দামও বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন এই মডেলের ব্লুটুথ স্পিকার গুলোর প্রাইস জেবিএল এর ব্লুটুথ স্পিকার থেকে অনেকটাই এরকম।

মিনি ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ

মিনি ব্লুটুথ স্পিকার এর মধ্যে JBL M3-T সবচাইতে সুন্দর ও জনপ্রিয় অধিক বিক্রিত একটি প্রডাক্ট। JBL M3-T মডেলের মিনি ব্লুটুথ স্পিকারের প্রাইস হচ্ছে ৩৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। অর্থাৎ এই মডেলের মধ্যেই দুইটা কোয়ালিটি রয়েছে নিম্নমানের কোয়ালিটির প্রডাক্টির প্রাইস হচ্ছে ৩৫০ টাকা ও গুনগত মানের ভালো কোয়ালিটিফুল প্রডাক্টির প্রাইস হচ্ছে ৮৫০ টাকা।

সাউন্ড এর দিক দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ ওয়াট পর্যন্ত আউটপুট পাওয়া যায়, প্রোডাক্টটি দেখতে খুবই সুন্দর। এই মিনি ব্লুটুথ স্পিকারটি আকারে ছোট হওয়ার কারণে হাতের তালু হাতের মুঠে কিংবা পকেটে রেখে দেওয়া যায়। আপনি চাইলে অসাধারণ এই স্পিকারটি ব্যবহার করতে পারবেন।

কোন ব্লুটুথ স্পিকার সবচেয়ে ভালো? 

বাজারে জেবিএল সহ আরো বিভিন্ন ধরনের ব্র্যান্ডের ব্লুটুথ স্পিকার পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে জেবিএল ব্লুটুথ স্পিকার অন্যতম, কেননা তারা দীর্ঘদিন ধরে মার্কেটে তাদের প্রোডাক্টের গুণগতমান ধরে রেখেছে। এই কারণে jbl ব্লুটুথ স্পিকার সবচেয়ে ভালো।

ব্লুটুথ স্পিকার কোথায় পাওয়া যায়?

বাজারে ইলেকট্রিক দোকান গুলোর মধ্যে ব্লুটুথ স্পিকার পাওয়া যায়। তবে আপনি চাইলে অনলাইন থেকেও ক্রয় করতে পারেন, কেননা বর্তমান সময়ে অনলাইনে সকল প্রডাক্ট পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

মিনি ব্লুটুথ স্পিকার দাম নিয়ে শেষ কথা

আজকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও বিভিন্ন মডেলের ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্লুটুথ স্পিকার একটি প্রয়োজনীয় পন্য কাজেই আপনি ব্লুটুথ স্পিকারটি কোন কাজে ব্যবহারের জন্য কিনবেন সেটা বিবেচনা করে তারপর ক্রয় করবেন। এবং পরিশেষে আরও একটি কথা আপনি যখনই এই প্রোডাক্টটি কিনবেন তখন আপডেট দাম জেনে তারপর স্পিকারটি কিনবেন। আশা করি আমার আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন