m19 ব্লুটুথ এর দাম কত | ব্লুটুথ হেডফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ

ব্লুটুথ হেডফোন মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিভিন্ন সময় ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাই ব্লুটুথ হেডফোনের চাহিদা বর্তমানে আকাশচুম্বী। আজকের এই আর্টিকেলে প্রথমে আমি m19 ব্লুটুথ এর দাম উল্লেখ করব তারপর এই ব্লুটুথ টি থেকে কেমন সার্ভিস পাওয়া যায় ইত্যাদি বিস্তারিত রিভিউ দিব। এরপরে আরও কয়েকটি মডেল নিয়ে লেখার ও রিভিউ দেওয়ার চেষ্টা করব।

m19 ব্লুটুথ এর দাম কত | ব্লুটুথ হেডফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ  ব্লুটুথ হেডফোন মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিভিন্ন সময় ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাই ব্লুটুথ হেডফোনের চাহিদা বর্তমানে আকাশচুম্বী। আজকের এই আর্টিকেলে প্রথমে আমি m19 ব্লুটুথ এর দাম উল্লেখ করব তারপর এই ব্লুটুথ টি থেকে কেমন সার্ভিস পাওয়া যায় ইত্যাদি বিস্তারিত রিভিউ দিব। এরপরে আরও কয়েকটি মডেল নিয়ে লেখার ও রিভিউ দেওয়ার চেষ্টা করব।  m19 ব্লুটুথ এর দাম কত  m19 ব্লুটুথ এর দাম হচ্ছে ৩২০ টাকা, কোন কোন দোকানে ৩০০ টাকা আবার কোন কোন দোকানে ৩৫০ টাকা তেও বিক্রি হয়। এখানে ব্যবহৃত ইয়ারবাড এরমধ্যে দেওয়া হয়েছে ৫০ mAh এর ছোট ব্যাটারি, যা এক চার্জে তিন ঘন্টা পর্যন্ত প্লে করা যায়। বক্সের মধ্যে দেওয়া হয়েছে ২০০০ mAh এর ব্যাটারি যেটা একদিন চার্জ করলে চার থেকে পাঁচ দিন নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যায়, এটা খুবই হেলফুল বিষয়। এছাড়াও এই ২০০০ mAh এর ব্যাটারির বক্সটিকে ছোটখাটো একটা পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।  বক্সটির উপরে দেওয়া হয়েছে একটি ডিজিটাল ডিসপ্লে যেখানে বক্সের মূল চার্জ এবং ইয়ারবাড এর চার্জ দেখা যায়। এমনকি বক্সের মধ্যে একটি ছোট্ট লাইটও দেয়া হয়েছে যে লাইটের মাধ্যমে টুকিটাকি আপনি কাজও করতে পারবেন। তাই এটিকে ব্লুটুথ হিসেবে ব্যবহার করার পরেও বিভিন্ন সময়ে বা অন্ধকারে লাইটিং এর জন্যও ব্যবহার করতে পারবেন।  এই ব্লুটুথের ইয়ারবাড এর ভিতরের অংশের মধ্যে রাবারের মত অংশ দেওয়া হয়েছে সেজন্য কানে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করার পরেও কোনরকম অসস্তি অনুভব হয় না। আমি নিজে এই ব্লুটুথ টি দেড় বছর যাবত ব্যবহার করতেছি লাইটিং সহ এখান থেকে আমি বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। যেটা কিনা এত অল্প টাকার একটা ব্লুটুথ এর মধ্যে পাওয়াটা দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়।  এই ব্লুটুথটি আমার ব্যবহারে দেড় বছরের অভিজ্ঞতায় আমি এটার প্রতি অনেক সন্তুষ্ট। এর থেকে দামি ব্লুটুথ আমি ব্যবহার করেছি কিন্তু এটার মধ্যে এত ভালো সার্ভিস আমি একটাতেও পাই নাই। এই ব্লুটুথ টি অনেকবার আমার হাত থেকে পড়ে গিয়েছে তারপরেও আলহামদুলিল্লাহ কোন রকমের কোন সমস্যা হয় নাই এখন পর্যন্ত খুব ভালো ভাবেই চলতেছে। তাই আপনারা কেউ যদি অল্প টাকায় কোন ব্লুটুথ হেডফোন কিনতে চান তাহলে অবশ্যই আমি বলব m19 কিনার জন্য আশা করি আমার মত আপনিও ব্যবহার করে ১০০% সেটিসফাইড হবেন।  তবে একটি বিষয় আমি যেই ব্লুটুথটির রিভিউ দিয়েছি সেটি কেবলমাত্র আমি ব্যবহার করার দ্বারা যেই রেজাল্ট পেয়েছি সেটুকুর উপর নির্ভর করেই দিয়েছি। আমি তাদের কোম্পানি কিংবা প্রচার বা মার্কেটিং করার সাথে কোনভাবে সম্পৃক্ত নই।  আরও পড়ুন  ব্লুটুথ স্পিকার প্রাইস ইন বাংলাদেশ  ১ কেজি শুকনা মরিচের দাম কত শুকনা মরিচের স্টক ব্যবসা  ব্লুটুথ হেডফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ m10  m10 মডেলের ব্লুটুথ হেডফোনটির প্রাইস হচ্ছে ২৮০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ যেটি অরজিনাল কোয়ালিটির এটার দাম হচ্ছে ৮৫০ টাকা এবং যেটা ডুপ্লিকেট পেটের দাম হচ্ছে ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। তবে দেখতে মূলত দুইটাকে একই মনে হয়। তাই আপনি যখন কিনবেন তখন আপনি বাজেট অনুযায়ী অরিজিনাল কোয়ালিটি দেখে কিনবেন।   এটার মধ্যেও ব্যবহার করা হয়েছে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও লাইট। সেই সাথে বক্সের মধ্যে দেওয়া হয়েছে দুই হাজার mAh এর ব্যাটারি। এটার মধ্যেও আপনি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  m10 ব্লুটুথের প্রাইস: m10 ব্লুটুথটির প্রাইস হচ্ছে ৬৯০ টাকা। অনেকেই ৭৫০ বা এর থেকে কিছু কম বেশি করে বিক্রি করে থাকে, তবে এটি ওরজিনিয়ালটির মূল্য। যদি ডুপ্লিকেট কিনেন তাহলে আরও অনেক কমেঝ পেতে পারেন। যাইহোক এখানেও ব্যবহার করা হয়েছে ২০০০ mAh এর ব্যাটারি সহ দারুন সব ফিচার। এই ব্লুটুথ টি যারা ব্যবহার করেছে তারা ভালই রিভিউ দিয়েছে এবং ব্যবহারের দিক থেকে তারা সেটিসফাইড।  M10, M19 ও M20 ছাড়াও মার্কেটে অনেক ধরনের ব্লুটুথ রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি এবং বিভিন্ন ধরনের দাম ও বিভিন্ন ধরনের কোয়ালিটি। আপনারা চাইলে ভালো আরো দামি কোয়ালিটি ফুল ব্লুটুথ ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু বর্তমানে মানুষেরা পল্লীগীতি ব্লুটুথ গুলোই বেশি ব্যবহার করতেছে।  কোন ব্লুটুথ সবচেয়ে ভালো  আপনার বাজেট যদি হয় অল্প ৫০০ টাকা বা তার নিচে সেক্ষেত্রে আমি বলব m19 ব্লুটুথ টি সবচাইতে ভালো এবং এটি ব্যবহার করেও আপনি তৃপ্তি এবং মজা পাবেন। তবে চাইলে অন্যান্য মডেলের ব্লুটুথ ও আপনি ব্যবহার করতে পারেন।  আবার আপনার বাজেট যদি হয় আরো বেশি সেক্ষেত্রে আপনি স্যামসাং এর বিভিন্ন মডেলের ব্লুটুথ গুলো ব্যবহার করতে পারেন। কেননা স্যামসাংয়ের প্রোডাক্ট গুলো ভালোই হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনার বাজেট যদি অনেক বেশি হয় এবং খুবই ভালো মানের ব্লুটুথ কিনতে চান সেক্ষেত্রে আপনি অ্যাঙ্কার সাউন্ডকোর R50i NC ও ওরাইমো স্পেসবাডস জেড এই ধরনের ব্লুটুথ গুলো ব্যবহার করতে পারেন।  ব্লুটুথ এর সুবিধা অসুবিধা  ব্লুটুথ ব্যবহারের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে যেমন ব্লুটুথ ব্যবহারের দ্বারা হেডফোনের মত তারের ঝামেলা এড়াতে পারবেন। সব জায়গায় কানের মধ্যে লাগিয়ে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অর্থাৎ এটিকে চার্জ করার দ্বারা তেমন কোন বিদ্যুৎ এই খরচ হয় না। ব্লুটুথ এর মাধ্যমে খুব সহজে ফোনে কথা বলা যায় যদিও মোবাইল পকেটে থাকে।   সবচেয়ে বড় সুবিধা আমি মনে করি এক জায়গায় বিভিন্ন ধরনের মানুষ থাকার পরেও আপনি ব্লুটুথ লাগিয়ে আপনার ইচ্ছা মত যে কোন ধরনের মিউজিক শুনতে পারবেন কারোর কোন সমস্যা হওয়া ছাড়াই।  ব্লুটুথ ব্যবহারের তেমন কোন অসুবিধা নেই চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া ছাড়া। আপনি চাইলে এই অসুবিধা কাঠিয়ে উঠতে পারবেন যেমন দুইটা ব্লুটুথ এর মধ্যে আপনি একটি করে ব্যবহার করবেন যখন একটার চার্জ শেষ হয়ে যাবে তখন এটা বক্সের বা কেসের মধ্যে লাগিয়ে আপনি অপরটি আবার ব্যবহার করতে পারবেন।  ব্লুটুথ এর দূরত্ব কত? সাধারণ মানের ব্লুটুথ গুলোর দূরত্ব ১০ থেকে ১২ মিটার হয়ে থাকে, তবে ভালো মানের কোয়ালিটি ফুল ব্লুটুথ গুলোর দূরত্ব এর থেকে কিছু বেশি হতে পারে।  বাংলাদেশে ব্লুটুথ হেডফোনের দাম কত? বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও বিভিন্ন মানের ব্লুটুথ হেডফোন রয়েছে। ব্র্যান্ড ও মডেল এর ভিন্নতা অনুযায়ী বাংলাদেশের ব্লুটুথ হেডফোনের দাম ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার বা তার বেশিও রয়েছে।  ভালো হেডফোন চেনার উপায় কী? ভালো হেডফোন চেনার অনেক উপায় রয়েছে যেমন কেসের ওজন, ব্যাটারির পাওয়ার, ইয়ারবাড এর ধরন, সাউন্ড কোয়ালিটি ইত্যাদি।  আরও পড়ুন  রিন পাউডার দাম ৫০০ গ্রাম মিনি পেট্রোল পাম্প দাম কত মিনি মাল্টি কুকার দাম কত  শেষ কথা   ব্লুটুথ এর দাম ও রিভিউ সম্পর্কিত আর্টিকেলটি প্রায় শেষ। তবে মোবাইল ব্যবহারকারীসহ অন্যান্য ডিভাইস  ব্যবহারকারীদের জন্যও ব্লুটুথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই যারা ব্লুটুথ কিনবেন ব্লুটুথ এর বিভিন্ন ফিচার দেখে তারপর ক্রয় করবেন এবং কিনার আগে আপনার কাঙ্খিত মডেলের রিভিউ সম্পর্কে অবগত হবেন।


m19 ব্লুটুথ এর দাম কত

m19 ব্লুটুথ এর দাম হচ্ছে ৩২০ টাকা, কোন কোন দোকানে ৩০০ টাকা আবার কোন কোন দোকানে ৩৫০ টাকা তেও বিক্রি হয়। এখানে ব্যবহৃত ইয়ারবাড এরমধ্যে দেওয়া হয়েছে ৫০ mAh এর ছোট ব্যাটারি, যা এক চার্জে তিন ঘন্টা পর্যন্ত প্লে করা যায়। বক্সের মধ্যে দেওয়া হয়েছে ২০০০ mAh এর ব্যাটারি যেটা একদিন চার্জ করলে চার থেকে পাঁচ দিন নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যায়, এটা খুবই হেলফুল বিষয়। এছাড়াও এই ২০০০ mAh এর ব্যাটারির বক্সটিকে ছোটখাটো একটা পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।

বক্সটির উপরে দেওয়া হয়েছে একটি ডিজিটাল ডিসপ্লে যেখানে বক্সের মূল চার্জ এবং ইয়ারবাড এর চার্জ দেখা যায়। এমনকি বক্সের মধ্যে একটি ছোট্ট লাইটও দেয়া হয়েছে যে লাইটের মাধ্যমে টুকিটাকি আপনি কাজও করতে পারবেন। তাই এটিকে ব্লুটুথ হিসেবে ব্যবহার করার পরেও বিভিন্ন সময়ে বা অন্ধকারে লাইটিং এর জন্যও ব্যবহার করতে পারবেন।

এই ব্লুটুথের ইয়ারবাড এর ভিতরের অংশের মধ্যে রাবারের মত অংশ দেওয়া হয়েছে সেজন্য কানে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করার পরেও কোনরকম অসস্তি অনুভব হয় না। আমি নিজে এই ব্লুটুথ টি দেড় বছর যাবত ব্যবহার করতেছি লাইটিং সহ এখান থেকে আমি বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। যেটা কিনা এত অল্প টাকার একটা ব্লুটুথ এর মধ্যে পাওয়াটা দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়।

এই ব্লুটুথটি আমার ব্যবহারে দেড় বছরের অভিজ্ঞতায় আমি এটার প্রতি অনেক সন্তুষ্ট। এর থেকে দামি ব্লুটুথ আমি ব্যবহার করেছি কিন্তু এটার মধ্যে এত ভালো সার্ভিস আমি একটাতেও পাই নাই। এই ব্লুটুথ টি অনেকবার আমার হাত থেকে পড়ে গিয়েছে তারপরেও আলহামদুলিল্লাহ কোন রকমের কোন সমস্যা হয় নাই এখন পর্যন্ত খুব ভালো ভাবেই চলতেছে। তাই আপনারা কেউ যদি অল্প টাকায় কোন ব্লুটুথ হেডফোন কিনতে চান তাহলে অবশ্যই আমি বলব m19 কিনার জন্য আশা করি আমার মত আপনিও ব্যবহার করে ১০০% সেটিসফাইড হবেন।

তবে একটি বিষয় আমি যেই ব্লুটুথটির রিভিউ দিয়েছি সেটি কেবলমাত্র আমি ব্যবহার করার দ্বারা যেই রেজাল্ট পেয়েছি সেটুকুর উপর নির্ভর করেই দিয়েছি। আমি তাদের কোম্পানি কিংবা প্রচার বা মার্কেটিং করার সাথে কোনভাবে সম্পৃক্ত নই।

আরও পড়ুন 

ব্লুটুথ হেডফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ m10

m10 মডেলের ব্লুটুথ হেডফোনটির প্রাইস হচ্ছে ২৮০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ যেটি অরজিনাল কোয়ালিটির এটার দাম হচ্ছে ৮৫০ টাকা এবং যেটা ডুপ্লিকেট পেটের দাম হচ্ছে ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। তবে দেখতে মূলত দুইটাকে একই মনে হয়। তাই আপনি যখন কিনবেন তখন আপনি বাজেট অনুযায়ী অরিজিনাল কোয়ালিটি দেখে কিনবেন। 

এটার মধ্যেও ব্যবহার করা হয়েছে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও লাইট। সেই সাথে বক্সের মধ্যে দেওয়া হয়েছে দুই হাজার mAh এর ব্যাটারি। এটার মধ্যেও আপনি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

m10 ব্লুটুথের প্রাইস: m10 ব্লুটুথটির প্রাইস হচ্ছে ৬৯০ টাকা। অনেকেই ৭৫০ বা এর থেকে কিছু কম বেশি করে বিক্রি করে থাকে, তবে এটি ওরজিনিয়ালটির মূল্য। যদি ডুপ্লিকেট কিনেন তাহলে আরও অনেক কমেঝ পেতে পারেন। যাইহোক এখানেও ব্যবহার করা হয়েছে ২০০০ mAh এর ব্যাটারি সহ দারুন সব ফিচার। এই ব্লুটুথ টি যারা ব্যবহার করেছে তারা ভালই রিভিউ দিয়েছে এবং ব্যবহারের দিক থেকে তারা সেটিসফাইড।

M10, M19 ও M20 ছাড়াও মার্কেটে অনেক ধরনের ব্লুটুথ রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি এবং বিভিন্ন ধরনের দাম ও বিভিন্ন ধরনের কোয়ালিটি। আপনারা চাইলে ভালো আরো দামি কোয়ালিটি ফুল ব্লুটুথ ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু বর্তমানে মানুষেরা পল্লীগীতি ব্লুটুথ গুলোই বেশি ব্যবহার করতেছে।

কোন ব্লুটুথ সবচেয়ে ভালো

আপনার বাজেট যদি হয় অল্প ৫০০ টাকা বা তার নিচে সেক্ষেত্রে আমি বলব m19 ব্লুটুথ টি সবচাইতে ভালো এবং এটি ব্যবহার করেও আপনি তৃপ্তি এবং মজা পাবেন। তবে চাইলে অন্যান্য মডেলের ব্লুটুথ ও আপনি ব্যবহার করতে পারেন।

আবার আপনার বাজেট যদি হয় আরো বেশি সেক্ষেত্রে আপনি স্যামসাং এর বিভিন্ন মডেলের ব্লুটুথ গুলো ব্যবহার করতে পারেন। কেননা স্যামসাংয়ের প্রোডাক্ট গুলো ভালোই হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনার বাজেট যদি অনেক বেশি হয় এবং খুবই ভালো মানের ব্লুটুথ কিনতে চান সেক্ষেত্রে আপনি অ্যাঙ্কার সাউন্ডকোর R50i NC ও ওরাইমো স্পেসবাডস জেড এই ধরনের ব্লুটুথ গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

ব্লুটুথ এর সুবিধা অসুবিধা

ব্লুটুথ ব্যবহারের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে যেমন ব্লুটুথ ব্যবহারের দ্বারা হেডফোনের মত তারের ঝামেলা এড়াতে পারবেন। সব জায়গায় কানের মধ্যে লাগিয়ে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অর্থাৎ এটিকে চার্জ করার দ্বারা তেমন কোন বিদ্যুৎ এই খরচ হয় না। ব্লুটুথ এর মাধ্যমে খুব সহজে ফোনে কথা বলা যায় যদিও মোবাইল পকেটে থাকে। 

সবচেয়ে বড় সুবিধা আমি মনে করি এক জায়গায় বিভিন্ন ধরনের মানুষ থাকার পরেও আপনি ব্লুটুথ লাগিয়ে আপনার ইচ্ছা মত যে কোন ধরনের মিউজিক শুনতে পারবেন কারোর কোন সমস্যা হওয়া ছাড়াই।

ব্লুটুথ ব্যবহারের তেমন কোন অসুবিধা নেই চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া ছাড়া। আপনি চাইলে এই অসুবিধা কাঠিয়ে উঠতে পারবেন যেমন দুইটা ব্লুটুথ এর মধ্যে আপনি একটি করে ব্যবহার করবেন যখন একটার চার্জ শেষ হয়ে যাবে তখন এটা বক্সের বা কেসের মধ্যে লাগিয়ে আপনি অপরটি আবার ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্লুটুথ এর দূরত্ব কত?

সাধারণ মানের ব্লুটুথ গুলোর দূরত্ব ১০ থেকে ১২ মিটার হয়ে থাকে, তবে ভালো মানের কোয়ালিটি ফুল ব্লুটুথ গুলোর দূরত্ব এর থেকে কিছু বেশি হতে পারে।

বাংলাদেশে ব্লুটুথ হেডফোনের দাম কত?

বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও বিভিন্ন মানের ব্লুটুথ হেডফোন রয়েছে। ব্র্যান্ড ও মডেল এর ভিন্নতা অনুযায়ী বাংলাদেশের ব্লুটুথ হেডফোনের দাম ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার বা তার বেশিও রয়েছে।

ভালো হেডফোন চেনার উপায় কী?

ভালো হেডফোন চেনার অনেক উপায় রয়েছে যেমন কেসের ওজন, ব্যাটারির পাওয়ার, ইয়ারবাড এর ধরন, সাউন্ড কোয়ালিটি ইত্যাদি।

আরও পড়ুন 

শেষ কথা 

ব্লুটুথ এর দাম ও রিভিউ সম্পর্কিত আর্টিকেলটি প্রায় শেষ। তবে মোবাইল ব্যবহারকারীসহ অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহারকারীদের জন্যও ব্লুটুথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই যারা ব্লুটুথ কিনবেন ব্লুটুথ এর বিভিন্ন ফিচার দেখে তারপর ক্রয় করবেন এবং কিনার আগে আপনার কাঙ্খিত মডেলের রিভিউ সম্পর্কে অবগত হবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন