ভিশন পানির ফিল্টার দাম | মাটির পানির ফিল্টার দাম

আমাদের সুস্থ থাকার জন্য বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক সময় দেখা যায় বাড়ির পানিতে মোটরে অথবা টিউবওয়েলে আয়রন থাকার কারণে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। দাঁত লাল হয়ে যাওয়া অথবা পেট খারাপ হওয়া তাছাড়া পানিতে অনেক সময় ময়লা আবর্জনা থাকে, সুরকি ধুলাবালি থাকে যার কারনে অসুস্থতা হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে তাই ফিল্টারের পানি খাওয়াই আমাদের সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়।

এছাড়াও ফিল্টারের পানি ঠাণ্ডা ও জীবানুমুক্ত থাকে আর এটাই আমাদের জন্য অধিক উপযোগী। তাই এখন আমরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দাম সম্পর্কে জানব এমনকি ফিল্টার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও শেয়ার করা হবে।

ভিশন পানির ফিল্টার দাম | মাটির পানির ফিল্টার দাম  আমাদের সুস্থ থাকার জন্য বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক সময় দেখা যায় বাড়ির পানিতে মোটরে অথবা টিউবওয়েলে আয়রন থাকার কারণে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। দাঁত লাল হয়ে যাওয়া অথবা পেট খারাপ হওয়া তাছাড়া পানিতে অনেক সময় ময়লা আবর্জনা থাকে, সুরকি ধুলাবালি থাকে যার কারনে অসুস্থতা হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে তাই ফিল্টারের পানি খাওয়াই আমাদের সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়।  এছাড়াও ফিল্টারের পানি ঠাণ্ডা ও জীবানুমুক্ত থাকে আর এটাই আমাদের জন্য অধিক উপযোগী। তাই এখন আমরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দাম সম্পর্কে জানব এমনকি ফিল্টার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও শেয়ার করা হবে।  আরও পড়ুন গমের ভুসির বস্তার দাম ২০২৬ গরুর ভুড়ির দাম ২০২৬ রাঁধুনি মরিচের গুঁড়া দাম ১ কেজি  ভিশন পানির ফিল্টার দাম   ভিশন পানির ফিল্টারের ও বেশ সুবিধা রয়েছে তা বিভিন্ন প্রকার আর্সেনিক ও পয়জন পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে সুস্বাদিতো করে তুলে। এটার মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি স্তর আছে, যারা ঠান্ডা ও গরম পানি খেতে চায় তারা এই এক মেশিনেই দুই ধরনের পানি একসাথে ঠান্ডা ও গরম করতে পারবেন। এখানে দুইটা সুইজ রয়েছে একটা লাল একটা সবুজ, আর লাল সুইজ টিপ দিলেই গরম পানি  হয়ে যাবে আর সবুজ সুইজ অন করলেই ঠান্ডা পানি হয়ে যাবে।  আর ঠান্ডা পানি একাবারে ফ্রিজের মতো ঠান্ডা হবে না অনুমান মত খাওয়ার উপযোগী হবে এমনকি গরম পানি একেবারে চুলার মতো গরম হবে তবে এতে আপনি চাইলে চা বানিয়ে খেতে পারবেন। এরকম একটি ফিল্টার হচ্ছে ভিশন Water Dispenser Hot & Cold যেখানে গরম পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯৫°C, এবং ঠান্ডা পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৪ থেকে ১২°C। ভিশন কোম্পানির 892671 মডেলের উক্ত পানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ১৪৫০০ টাকা।  ওয়ালটন এর এই ফিল্টার ছাড়াও শুধুমাত্র পানি ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখার ও ফিল্টার রয়েছে। যেগুলোর দাম হচ্ছে মডেল ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত।  ওয়ালটন পানির ফিল্টার দাম   ওয়ালটন পানির ফিল্টারের বেশ সুবিধা রয়েছে এটা পানি থেকে বিষাক্ত ক্ষতিকর জিনিস ময়লা আবর্জনা দূর করে, সেই সাথে পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে পরিষ্কার  নির্মল ও সুস্বাদিতো রাখে। এছাড়া এতে আরোও একটি বিশেষ সুবিধা আছে এতে পাঁচ থেকে আট ধাপের স্তর আছে এবং কারেন্ট না থাকলে ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং পানিকে ঠান্ডা রাখে।  ওয়ালটন WWP-UF20L মডেলের ২০ লিটারের একটি আল্ট্রাফিল্ট্রেশন পানির ফিল্টারের বর্তমান দাম হচ্ছে ৩৬০০ টাকা, যদিও কিছুদিন পূর্বে সেইম ফিল্টারের দাম ই নিছিল প্রায় ৪০০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু বর্তমানে ওয়ালটন কোম্পানির বিশেষ ছাড়ে এই ফিল্টারটি এখন ৩৬০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে।  ওয়ালটন পানির ফিল্টারের ছোট থেকে বড় আরও বিভিন্ন মডেল যেগুলোর দাম ৩১০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন সময় ওয়ালটন কোম্পানি পানির ফিল্টারের মধ্যে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে।  মিয়াকো পানির ফিল্টার দাম   মিয়াকো পানির ফিল্টার ব্যবহার করার জন্য বেশ উপযোগী, তাছাড়া এই ফিল্টার টি কোন ঘাটতি ছাড়া পানির সব ময়লাকেই পানি থেকে দূরে রাখে। এছাড়া এটার মধ্যে ৬ থেকে নয় স্তরের বিশেষ সুবিধা রয়েছে।  এবং আপনি কোনরকম ফুটানো ছাড়াই বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারবেন তাতে কোন ধরনের অসুবিধা হবে না।  মিয়াকো MWP-280 মডেলের নয় স্তরেরপানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ৩৭০০ টাকা, এই ফিল্টারের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি নয়টি স্তরের মাধ্যমে পানিকে পরিষ্কার করে, তাই এখান থেকে স্বচ্ছ এবং একদম ফ্রেশ পানি বের হয় যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। এই ফিল্টারটি বড় একটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে কেননা এর ধারণক্ষমতা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৮ লিটার পর্যন্ত। মিয়াকো পানির ফিল্টারের মধ্যে আরো অনেক মডেল রয়েছে যেগুলো পাওয়া যায় সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৪৫০০ টাকায়।  নোভা পানির ফিল্টার দাম  বাংলাদেশের বাজারে নোভা পানির ফিল্টার ও পাওয়া যায়, তবে নোভা পানির ফিল্টার অন্যান্য ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের তুলনায় অনেকটাই কম পরিচিত। কিন্তু নোভা পানির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দামের মতই যেমন নোভা ব্র্যান্ডের ২২ লিটার পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে মাত্র ১৫০০ টাকা, সেই সাথে ৩৬ ও ৩৮ লিটার পানির ফিল্টারের দাম ২২০০ ও ২৪৫০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য মডেল অনুযায়ী দাম বিভিন্ন ধরনের হয়।  আরএফএল পানির ফিল্টার দাম  উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের মতই আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার রয়েছে। এমনকি আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার গুলো গুলো আরো বেশি পরিচিত ও জনপ্রিয়। আরএফএল ব্র্যান্ডের ২৮ লিটারের বড় পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ৩১০০ টাকা, এটা ছাড়াও আরএফএল এর ২০ লিটারের ফিল্টার রয়েছে যার দাম ২১৫০ থেকে ২২০০ টাকা। তবে ফিল্টারের ধরন ও কোয়ালিটি ভেদে দাম অবশ্যই পরিবর্তন হবে।  মাটির পানির ফিল্টার দাম   মাটির পানির ফিল্টার অন্যান্য পানির ফিল্টার অপেক্ষা অন্যতম, কেননা এটি অন্য পানি অপেক্ষা পানিকে বেশি ঠান্ডা ও সতেজ রাখে সেই সাথে পানিও জীবানু মুক্ত থাকে। মাটির ফিল্টারের পানি অন্যান্য ফিল্টারের পানির তুলনায় পান করতে বেশি আরাম দায়ক ও সুস্বাদু, এই পানি পান করার দ্বারা কোন ক্ষতি হবে না‌। এই ফিল্টার ব্যবহারের আরো একটি সুবিধা হচ্ছে এতে কোনরকম বিদ্যুৎ খরচের প্রয়োজন নাই এটি স্বাভাবিকভাবেই পানিকে ঠান্ডা ও স্বচ্ছ করে তোলে।  ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ২৪৫০ টাকা, যা কিনা অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় অনেক কম। তবে কোয়ালিটির ভিন্নতার কারণে ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার ১২০০-১৩০০ টাকার মধ্যেও পাওয়া যায়। মাটির ফিল্টারের মধ্যে ছোট কোয়ালিটিরও ফিল্টার রয়েছে যার দাম সর্বনিম্ন ৮০০ টাকা। আপনারা যারা মাটির ফিল্টারের পানি খেতে পছন্দ করেন তারা চাইলে পরিবারের জন্য ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার টি ক্রয় করতে পারেন।  মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম  মোজাইক পাথরের ফিল্টার একটি অনন্য ফিল্টার, যা বর্তমানে অনেকেই ব্যবহার করতেছে। এই ফিল্টারটি দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তেমনি ভাবে পানি কেও রাখে খুব ঠান্ডা ও স্বচ্ছ। ৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতার মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম হচ্ছে ৩৪৫০ টাকা, একই ফিল্টার যদি আপনি সম্পূর্ণটাই টাইলস বা কারুকার্যকৃত নিতে চান তাহলে দাম পড়বে ৪৬০০ থেকে ৪৭০০ টাকার মতো। এটি বিদ্যুৎ ছাড়াই ২৪ ঘন্টা আপনাকে ঠান্ডা পানি সরবরাহ করবে।  ফিল্টার ব্যবহার করার নিয়ম  প্রথমে ফিল্টার টি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। ও ফিল্টারে অল্প পানি দিয়ে পানিটা ফেলে দিন, তারপর ফিল্টারের পানি পান করুন আর ফিল্টার টি প্রতিদিন নয়তো এক দুই দিন পর পর পরিষ্কার করুন নয়তো ফিল্টারের ভিতরে ময়লা জমে যেতে পারে তারপর ময়লা থেকে পেট খারাপ ও পেটে সমস্যা হতে পারে।  ফিল্টারের পানি আপনি চাইলে সাধারণ ভাবে পান করতে পারবেন কিন্তু আপনার যদি ময়লা আবর্জনা থাকার ভয় থাকে তাহলে ফুটিয়ে পান করলে অসুবিধা নেই। আর ফিল্টারের ভিতরে গরম পানি দেওয়া যাবে না কেননা গরম পানি দেওয়ার কারনে প্লাস্টিক হলে ভিতরে পুড়ে যেতে পারে, তাই সাবধানতা অবলম্বন করে ফিল্টার ব্যবহার করুন।  পানির ফিল্টার কোনটা ভালো  ওয়ালটন, ভিশন, মিয়াকো, আরএফএল ও মাটির ফিল্টার সহ আরো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টার রয়েছে। অনেক সময় সাধারণ মানুষের জনমনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক করে যে, পানির ফিল্টার কোনটা ভালো হবে? তো এক্ষেত্রে আমি বলব সব ধরনের ফিল্টারই ভালো এমনকি সবগুলো ফিল্টারের মাধ্যমেই পানি থেকে আর্সেনিক ও ময়লা দূর করে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করে তোলা যায়।   কিন্তু মাটির পানির ফিল্টার এগুলো থেকে অন্যরকম, কারণ আমি নিজেও দেখেছি অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় মাটির পানির ফিল্টারের স্বাদ অন্যরকম। তাই সবগুলো থেকে আমি মাটির ফিল্টারটাকে এগিয়ে রাখবো যদিও মাটির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় কম। তবে আপনার যদি মনে হয় মাটির ফিল্টার থেকেও অন্যান্য ফিল্টার ভালো হবে সে ক্ষেত্রে আপনার চয়েজ মত আপনি পানির ফিল্টার কিনতে পারেন।  ফিল্টারের পানি খাওয়ার উপকারিতা  শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফিল্টারের পানি অধিক উপকারী,  ফিল্টারের পানি পান করার দ্বারা শরীর জীবানু মুক্ত থাকে এমনকি হজম শক্তি বাড়াতে ও সাহায্য করে। ডায়রিয়া পেট খারাপ সহ পেটের অন্যান্য সমস্যা থেকেও রক্ষা করে। অনেক সময় দেখা যায় পানির মধ্যে যদি আর্সেনিক থাকে তাহলে সেই পানি পান করার দ্বারা দাঁতের কোনায় কালো কালো দাগ পড়ে যায় এমনকি অনেক সময় দাঁত লাল হয়ে যায়। আপনি যদি ফিল্টারের পানি পান করেন তাহলে আপনার দাতকে কালো হওয়া কিংবা লাল হওয়া থেকে রক্ষা করবে।  তাছাড়া ফিল্টারের পানি খাওয়ার অপকারিতা ও আছে যেমন ফিল্টার যদি অনেক দিন পর্যন্ত পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি জীবাণু যুক্ত হয়ে যায় এমনকি পানি থেকে দুর্গন্ধ বাহির হয়। তাছাড়া এমন পানি পান করার দ্বারা কোনরকম স্বাদ ও তৃপ্তি আসেনা, এমনকি যদি দীর্ঘদিন ফিল্টার পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি নষ্ট হয়ে যায় এবং তা পান করার দ্বারা পেটে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।   মোজাইক পাথরের ফিল্টার কেমন? মোজাইক পাথরের ফিল্টার খুবই ভালো, প্রাকৃতিকভাবে আপনাকে ঠান্ডা পানি দিবে বিদ্যুৎ বা কারেন্ট সাশ্রয়ী এমনকি পানিও হবে স্বচ্ছ।  মাটির পানির ফিল্টারে পানি কি ঠান্ডা হয়? ফিল্টারটি মাটি দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে এর ভিতরে রাখা পানি ঠান্ডা ও সুস্বাদু হয়।  ভিশন পানির ফিল্টার কি বিদ্যুৎ ছাড়া চলে? হ্যা স্বাভাবিকভাবে পানিকে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করার জন্য ভিশন পানির ফিল্টার বিদ্যুৎ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়, তবে আপনি যদি পানি কে আপনার ইচ্ছামত ঠান্ডা বা গরম করতে চান তাহলে অবশ্যই বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হবে।  আরও পড়ুন গমের আটা কত টাকা কেজি  কাঠের কিচেন রেক এর দাম আরএফএল বালতি দাম ১ কেজি শুকনা মরিচের দাম কত  শেষ কথা  সুস্থ দেহের জন্য পানির কোন তুলনা নেই এজন্যই হয়তো মনীষীরা বলে গেছে পানির অপর নাম জীবন। তবে সেই পানি হতে হবে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ আর পানি যদি হয় অপরিষ্কার তাহলে মনীষীদের উক্তি পরিবর্তন হয়ে যাবে তখন হবে পানির অপর নাম মরণ। তাই বিশুদ্ধ পানি পান করার জন্য আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে একটি করে ফিল্টার রাখা প্রয়োজন। তাই দেখেশুনে আপনি ফিল্টার কিনবেন এমনকি আপনার পরিবারের জন্য কতটুকু ধারণ ক্ষমতার ফিল্টার প্রয়োজন কিনার সময় সেটাও লক্ষ্য রাখবেন।


আরও পড়ুন

ভিশন পানির ফিল্টার দাম 

ভিশন পানির ফিল্টারের ও বেশ সুবিধা রয়েছে তা বিভিন্ন প্রকার আর্সেনিক ও পয়জন পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে সুস্বাদিতো করে তুলে। এটার মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি স্তর আছে, যারা ঠান্ডা ও গরম পানি খেতে চায় তারা এই এক মেশিনেই দুই ধরনের পানি একসাথে ঠান্ডা ও গরম করতে পারবেন। এখানে দুইটা সুইজ রয়েছে একটা লাল একটা সবুজ, আর লাল সুইজ টিপ দিলেই গরম পানি হয়ে যাবে আর সবুজ সুইজ অন করলেই ঠান্ডা পানি হয়ে যাবে।

আর ঠান্ডা পানি একাবারে ফ্রিজের মতো ঠান্ডা হবে না অনুমান মত খাওয়ার উপযোগী হবে এমনকি গরম পানি একেবারে চুলার মতো গরম হবে তবে এতে আপনি চাইলে চা বানিয়ে খেতে পারবেন। এরকম একটি ফিল্টার হচ্ছে ভিশন Water Dispenser Hot & Cold যেখানে গরম পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯৫°C, এবং ঠান্ডা পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৪ থেকে ১২°C। ভিশন কোম্পানির 892671 মডেলের উক্ত পানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ১৪৫০০ টাকা।

ওয়ালটন এর এই ফিল্টার ছাড়াও শুধুমাত্র পানি ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখার ও ফিল্টার রয়েছে। যেগুলোর দাম হচ্ছে মডেল ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত।

ওয়ালটন পানির ফিল্টার দাম 

ওয়ালটন পানির ফিল্টারের বেশ সুবিধা রয়েছে এটা পানি থেকে বিষাক্ত ক্ষতিকর জিনিস ময়লা আবর্জনা দূর করে, সেই সাথে পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে পরিষ্কার নির্মল ও সুস্বাদিতো রাখে। এছাড়া এতে আরোও একটি বিশেষ সুবিধা আছে এতে পাঁচ থেকে আট ধাপের স্তর আছে এবং কারেন্ট না থাকলে ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং পানিকে ঠান্ডা রাখে।

ওয়ালটন WWP-UF20L মডেলের ২০ লিটারের একটি আল্ট্রাফিল্ট্রেশন পানির ফিল্টারের বর্তমান দাম হচ্ছে ৩৬০০ টাকা, যদিও কিছুদিন পূর্বে সেইম ফিল্টারের দাম ই নিছিল প্রায় ৪০০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু বর্তমানে ওয়ালটন কোম্পানির বিশেষ ছাড়ে এই ফিল্টারটি এখন ৩৬০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে।

ওয়ালটন পানির ফিল্টারের ছোট থেকে বড় আরও বিভিন্ন মডেল যেগুলোর দাম ৩১০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন সময় ওয়ালটন কোম্পানি পানির ফিল্টারের মধ্যে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে।

মিয়াকো পানির ফিল্টার দাম 

মিয়াকো পানির ফিল্টার ব্যবহার করার জন্য বেশ উপযোগী, তাছাড়া এই ফিল্টার টি কোন ঘাটতি ছাড়া পানির সব ময়লাকেই পানি থেকে দূরে রাখে। এছাড়া এটার মধ্যে ৬ থেকে নয় স্তরের বিশেষ সুবিধা রয়েছে। এবং আপনি কোনরকম ফুটানো ছাড়াই বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারবেন তাতে কোন ধরনের অসুবিধা হবে না।

মিয়াকো MWP-280 মডেলের নয় স্তরেরপানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ৩৭০০ টাকা, এই ফিল্টারের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি নয়টি স্তরের মাধ্যমে পানিকে পরিষ্কার করে, তাই এখান থেকে স্বচ্ছ এবং একদম ফ্রেশ পানি বের হয় যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। এই ফিল্টারটি বড় একটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে কেননা এর ধারণক্ষমতা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৮ লিটার পর্যন্ত। মিয়াকো পানির ফিল্টারের মধ্যে আরো অনেক মডেল রয়েছে যেগুলো পাওয়া যায় সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৪৫০০ টাকায়।

নোভা পানির ফিল্টার দাম

বাংলাদেশের বাজারে নোভা পানির ফিল্টার ও পাওয়া যায়, তবে নোভা পানির ফিল্টার অন্যান্য ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের তুলনায় অনেকটাই কম পরিচিত। কিন্তু নোভা পানির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দামের মতই যেমন নোভা ব্র্যান্ডের ২২ লিটার পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে মাত্র ১৫০০ টাকা, সেই সাথে ৩৬ ও ৩৮ লিটার পানির ফিল্টারের দাম ২২০০ ও ২৪৫০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য মডেল অনুযায়ী দাম বিভিন্ন ধরনের হয়।

আরএফএল পানির ফিল্টার দাম

উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের মতই আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার রয়েছে। এমনকি আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার গুলো গুলো আরো বেশি পরিচিত ও জনপ্রিয়। আরএফএল ব্র্যান্ডের ২৮ লিটারের বড় পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ৩১০০ টাকা, এটা ছাড়াও আরএফএল এর ২০ লিটারের ফিল্টার রয়েছে যার দাম ২১৫০ থেকে ২২০০ টাকা। তবে ফিল্টারের ধরন ও কোয়ালিটি ভেদে দাম অবশ্যই পরিবর্তন হবে।

ভিশন পানির ফিল্টার দাম | মাটির পানির ফিল্টার দাম  আমাদের সুস্থ থাকার জন্য বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক সময় দেখা যায় বাড়ির পানিতে মোটরে অথবা টিউবওয়েলে আয়রন থাকার কারণে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। দাঁত লাল হয়ে যাওয়া অথবা পেট খারাপ হওয়া তাছাড়া পানিতে অনেক সময় ময়লা আবর্জনা থাকে, সুরকি ধুলাবালি থাকে যার কারনে অসুস্থতা হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে তাই ফিল্টারের পানি খাওয়াই আমাদের সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়।  এছাড়াও ফিল্টারের পানি ঠাণ্ডা ও জীবানুমুক্ত থাকে আর এটাই আমাদের জন্য অধিক উপযোগী। তাই এখন আমরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দাম সম্পর্কে জানব এমনকি ফিল্টার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও শেয়ার করা হবে।  আরও পড়ুন গমের ভুসির বস্তার দাম ২০২৬ গরুর ভুড়ির দাম ২০২৬ রাঁধুনি মরিচের গুঁড়া দাম ১ কেজি  ভিশন পানির ফিল্টার দাম   ভিশন পানির ফিল্টারের ও বেশ সুবিধা রয়েছে তা বিভিন্ন প্রকার আর্সেনিক ও পয়জন পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে সুস্বাদিতো করে তুলে। এটার মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি স্তর আছে, যারা ঠান্ডা ও গরম পানি খেতে চায় তারা এই এক মেশিনেই দুই ধরনের পানি একসাথে ঠান্ডা ও গরম করতে পারবেন। এখানে দুইটা সুইজ রয়েছে একটা লাল একটা সবুজ, আর লাল সুইজ টিপ দিলেই গরম পানি  হয়ে যাবে আর সবুজ সুইজ অন করলেই ঠান্ডা পানি হয়ে যাবে।  আর ঠান্ডা পানি একাবারে ফ্রিজের মতো ঠান্ডা হবে না অনুমান মত খাওয়ার উপযোগী হবে এমনকি গরম পানি একেবারে চুলার মতো গরম হবে তবে এতে আপনি চাইলে চা বানিয়ে খেতে পারবেন। এরকম একটি ফিল্টার হচ্ছে ভিশন Water Dispenser Hot & Cold যেখানে গরম পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯৫°C, এবং ঠান্ডা পানির তাপমাত্রা হচ্ছে ৪ থেকে ১২°C। ভিশন কোম্পানির 892671 মডেলের উক্ত পানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ১৪৫০০ টাকা।  ওয়ালটন এর এই ফিল্টার ছাড়াও শুধুমাত্র পানি ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখার ও ফিল্টার রয়েছে। যেগুলোর দাম হচ্ছে মডেল ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত।  ওয়ালটন পানির ফিল্টার দাম   ওয়ালটন পানির ফিল্টারের বেশ সুবিধা রয়েছে এটা পানি থেকে বিষাক্ত ক্ষতিকর জিনিস ময়লা আবর্জনা দূর করে, সেই সাথে পানির দুর্গন্ধ দূর করে পানিকে পরিষ্কার  নির্মল ও সুস্বাদিতো রাখে। এছাড়া এতে আরোও একটি বিশেষ সুবিধা আছে এতে পাঁচ থেকে আট ধাপের স্তর আছে এবং কারেন্ট না থাকলে ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং পানিকে ঠান্ডা রাখে।  ওয়ালটন WWP-UF20L মডেলের ২০ লিটারের একটি আল্ট্রাফিল্ট্রেশন পানির ফিল্টারের বর্তমান দাম হচ্ছে ৩৬০০ টাকা, যদিও কিছুদিন পূর্বে সেইম ফিল্টারের দাম ই নিছিল প্রায় ৪০০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু বর্তমানে ওয়ালটন কোম্পানির বিশেষ ছাড়ে এই ফিল্টারটি এখন ৩৬০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে।  ওয়ালটন পানির ফিল্টারের ছোট থেকে বড় আরও বিভিন্ন মডেল যেগুলোর দাম ৩১০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন সময় ওয়ালটন কোম্পানি পানির ফিল্টারের মধ্যে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে।  মিয়াকো পানির ফিল্টার দাম   মিয়াকো পানির ফিল্টার ব্যবহার করার জন্য বেশ উপযোগী, তাছাড়া এই ফিল্টার টি কোন ঘাটতি ছাড়া পানির সব ময়লাকেই পানি থেকে দূরে রাখে। এছাড়া এটার মধ্যে ৬ থেকে নয় স্তরের বিশেষ সুবিধা রয়েছে।  এবং আপনি কোনরকম ফুটানো ছাড়াই বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারবেন তাতে কোন ধরনের অসুবিধা হবে না।  মিয়াকো MWP-280 মডেলের নয় স্তরেরপানির ফিল্টারটির দাম হচ্ছে ৩৭০০ টাকা, এই ফিল্টারের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি নয়টি স্তরের মাধ্যমে পানিকে পরিষ্কার করে, তাই এখান থেকে স্বচ্ছ এবং একদম ফ্রেশ পানি বের হয় যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। এই ফিল্টারটি বড় একটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে কেননা এর ধারণক্ষমতা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৮ লিটার পর্যন্ত। মিয়াকো পানির ফিল্টারের মধ্যে আরো অনেক মডেল রয়েছে যেগুলো পাওয়া যায় সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৪৫০০ টাকায়।  নোভা পানির ফিল্টার দাম  বাংলাদেশের বাজারে নোভা পানির ফিল্টার ও পাওয়া যায়, তবে নোভা পানির ফিল্টার অন্যান্য ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের তুলনায় অনেকটাই কম পরিচিত। কিন্তু নোভা পানির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফিল্টারের দামের মতই যেমন নোভা ব্র্যান্ডের ২২ লিটার পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে মাত্র ১৫০০ টাকা, সেই সাথে ৩৬ ও ৩৮ লিটার পানির ফিল্টারের দাম ২২০০ ও ২৪৫০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য মডেল অনুযায়ী দাম বিভিন্ন ধরনের হয়।  আরএফএল পানির ফিল্টার দাম  উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টারের মতই আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার রয়েছে। এমনকি আরএফএল কোম্পানির পানির ফিল্টার গুলো গুলো আরো বেশি পরিচিত ও জনপ্রিয়। আরএফএল ব্র্যান্ডের ২৮ লিটারের বড় পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ৩১০০ টাকা, এটা ছাড়াও আরএফএল এর ২০ লিটারের ফিল্টার রয়েছে যার দাম ২১৫০ থেকে ২২০০ টাকা। তবে ফিল্টারের ধরন ও কোয়ালিটি ভেদে দাম অবশ্যই পরিবর্তন হবে।  মাটির পানির ফিল্টার দাম   মাটির পানির ফিল্টার অন্যান্য পানির ফিল্টার অপেক্ষা অন্যতম, কেননা এটি অন্য পানি অপেক্ষা পানিকে বেশি ঠান্ডা ও সতেজ রাখে সেই সাথে পানিও জীবানু মুক্ত থাকে। মাটির ফিল্টারের পানি অন্যান্য ফিল্টারের পানির তুলনায় পান করতে বেশি আরাম দায়ক ও সুস্বাদু, এই পানি পান করার দ্বারা কোন ক্ষতি হবে না‌। এই ফিল্টার ব্যবহারের আরো একটি সুবিধা হচ্ছে এতে কোনরকম বিদ্যুৎ খরচের প্রয়োজন নাই এটি স্বাভাবিকভাবেই পানিকে ঠান্ডা ও স্বচ্ছ করে তোলে।  ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ২৪৫০ টাকা, যা কিনা অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় অনেক কম। তবে কোয়ালিটির ভিন্নতার কারণে ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার ১২০০-১৩০০ টাকার মধ্যেও পাওয়া যায়। মাটির ফিল্টারের মধ্যে ছোট কোয়ালিটিরও ফিল্টার রয়েছে যার দাম সর্বনিম্ন ৮০০ টাকা। আপনারা যারা মাটির ফিল্টারের পানি খেতে পছন্দ করেন তারা চাইলে পরিবারের জন্য ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার টি ক্রয় করতে পারেন।  মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম  মোজাইক পাথরের ফিল্টার একটি অনন্য ফিল্টার, যা বর্তমানে অনেকেই ব্যবহার করতেছে। এই ফিল্টারটি দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তেমনি ভাবে পানি কেও রাখে খুব ঠান্ডা ও স্বচ্ছ। ৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতার মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম হচ্ছে ৩৪৫০ টাকা, একই ফিল্টার যদি আপনি সম্পূর্ণটাই টাইলস বা কারুকার্যকৃত নিতে চান তাহলে দাম পড়বে ৪৬০০ থেকে ৪৭০০ টাকার মতো। এটি বিদ্যুৎ ছাড়াই ২৪ ঘন্টা আপনাকে ঠান্ডা পানি সরবরাহ করবে।  ফিল্টার ব্যবহার করার নিয়ম  প্রথমে ফিল্টার টি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। ও ফিল্টারে অল্প পানি দিয়ে পানিটা ফেলে দিন, তারপর ফিল্টারের পানি পান করুন আর ফিল্টার টি প্রতিদিন নয়তো এক দুই দিন পর পর পরিষ্কার করুন নয়তো ফিল্টারের ভিতরে ময়লা জমে যেতে পারে তারপর ময়লা থেকে পেট খারাপ ও পেটে সমস্যা হতে পারে।  ফিল্টারের পানি আপনি চাইলে সাধারণ ভাবে পান করতে পারবেন কিন্তু আপনার যদি ময়লা আবর্জনা থাকার ভয় থাকে তাহলে ফুটিয়ে পান করলে অসুবিধা নেই। আর ফিল্টারের ভিতরে গরম পানি দেওয়া যাবে না কেননা গরম পানি দেওয়ার কারনে প্লাস্টিক হলে ভিতরে পুড়ে যেতে পারে, তাই সাবধানতা অবলম্বন করে ফিল্টার ব্যবহার করুন।  পানির ফিল্টার কোনটা ভালো  ওয়ালটন, ভিশন, মিয়াকো, আরএফএল ও মাটির ফিল্টার সহ আরো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টার রয়েছে। অনেক সময় সাধারণ মানুষের জনমনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক করে যে, পানির ফিল্টার কোনটা ভালো হবে? তো এক্ষেত্রে আমি বলব সব ধরনের ফিল্টারই ভালো এমনকি সবগুলো ফিল্টারের মাধ্যমেই পানি থেকে আর্সেনিক ও ময়লা দূর করে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করে তোলা যায়।   কিন্তু মাটির পানির ফিল্টার এগুলো থেকে অন্যরকম, কারণ আমি নিজেও দেখেছি অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় মাটির পানির ফিল্টারের স্বাদ অন্যরকম। তাই সবগুলো থেকে আমি মাটির ফিল্টারটাকে এগিয়ে রাখবো যদিও মাটির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় কম। তবে আপনার যদি মনে হয় মাটির ফিল্টার থেকেও অন্যান্য ফিল্টার ভালো হবে সে ক্ষেত্রে আপনার চয়েজ মত আপনি পানির ফিল্টার কিনতে পারেন।  ফিল্টারের পানি খাওয়ার উপকারিতা  শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফিল্টারের পানি অধিক উপকারী,  ফিল্টারের পানি পান করার দ্বারা শরীর জীবানু মুক্ত থাকে এমনকি হজম শক্তি বাড়াতে ও সাহায্য করে। ডায়রিয়া পেট খারাপ সহ পেটের অন্যান্য সমস্যা থেকেও রক্ষা করে। অনেক সময় দেখা যায় পানির মধ্যে যদি আর্সেনিক থাকে তাহলে সেই পানি পান করার দ্বারা দাঁতের কোনায় কালো কালো দাগ পড়ে যায় এমনকি অনেক সময় দাঁত লাল হয়ে যায়। আপনি যদি ফিল্টারের পানি পান করেন তাহলে আপনার দাতকে কালো হওয়া কিংবা লাল হওয়া থেকে রক্ষা করবে।  তাছাড়া ফিল্টারের পানি খাওয়ার অপকারিতা ও আছে যেমন ফিল্টার যদি অনেক দিন পর্যন্ত পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি জীবাণু যুক্ত হয়ে যায় এমনকি পানি থেকে দুর্গন্ধ বাহির হয়। তাছাড়া এমন পানি পান করার দ্বারা কোনরকম স্বাদ ও তৃপ্তি আসেনা, এমনকি যদি দীর্ঘদিন ফিল্টার পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি নষ্ট হয়ে যায় এবং তা পান করার দ্বারা পেটে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।   মোজাইক পাথরের ফিল্টার কেমন? মোজাইক পাথরের ফিল্টার খুবই ভালো, প্রাকৃতিকভাবে আপনাকে ঠান্ডা পানি দিবে বিদ্যুৎ বা কারেন্ট সাশ্রয়ী এমনকি পানিও হবে স্বচ্ছ।  মাটির পানির ফিল্টারে পানি কি ঠান্ডা হয়? ফিল্টারটি মাটি দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে এর ভিতরে রাখা পানি ঠান্ডা ও সুস্বাদু হয়।  ভিশন পানির ফিল্টার কি বিদ্যুৎ ছাড়া চলে? হ্যা স্বাভাবিকভাবে পানিকে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করার জন্য ভিশন পানির ফিল্টার বিদ্যুৎ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়, তবে আপনি যদি পানি কে আপনার ইচ্ছামত ঠান্ডা বা গরম করতে চান তাহলে অবশ্যই বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হবে।  আরও পড়ুন গমের আটা কত টাকা কেজি  কাঠের কিচেন রেক এর দাম আরএফএল বালতি দাম ১ কেজি শুকনা মরিচের দাম কত  শেষ কথা  সুস্থ দেহের জন্য পানির কোন তুলনা নেই এজন্যই হয়তো মনীষীরা বলে গেছে পানির অপর নাম জীবন। তবে সেই পানি হতে হবে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ আর পানি যদি হয় অপরিষ্কার তাহলে মনীষীদের উক্তি পরিবর্তন হয়ে যাবে তখন হবে পানির অপর নাম মরণ। তাই বিশুদ্ধ পানি পান করার জন্য আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে একটি করে ফিল্টার রাখা প্রয়োজন। তাই দেখেশুনে আপনি ফিল্টার কিনবেন এমনকি আপনার পরিবারের জন্য কতটুকু ধারণ ক্ষমতার ফিল্টার প্রয়োজন কিনার সময় সেটাও লক্ষ্য রাখবেন।


মাটির পানির ফিল্টার দাম 

মাটির পানির ফিল্টার অন্যান্য পানির ফিল্টার অপেক্ষা অন্যতম, কেননা এটি অন্য পানি অপেক্ষা পানিকে বেশি ঠান্ডা ও সতেজ রাখে সেই সাথে পানিও জীবানু মুক্ত থাকে। মাটির ফিল্টারের পানি অন্যান্য ফিল্টারের পানির তুলনায় পান করতে বেশি আরাম দায়ক ও সুস্বাদু, এই পানি পান করার দ্বারা কোন ক্ষতি হবে না‌। এই ফিল্টার ব্যবহারের আরো একটি সুবিধা হচ্ছে এতে কোনরকম বিদ্যুৎ খরচের প্রয়োজন নাই এটি স্বাভাবিকভাবেই পানিকে ঠান্ডা ও স্বচ্ছ করে তোলে।

৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টারের দাম হচ্ছে ২৪৫০ টাকা, যা কিনা অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় অনেক কম। তবে কোয়ালিটির ভিন্নতার কারণে ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার ১২০০-১৩০০ টাকার মধ্যেও পাওয়া যায়। মাটির ফিল্টারের মধ্যে ছোট কোয়ালিটিরও ফিল্টার রয়েছে যার দাম সর্বনিম্ন ৮০০ টাকা। আপনারা যারা মাটির ফিল্টারের পানি খেতে পছন্দ করেন তারা চাইলে পরিবারের জন্য ৮ লিটারের মাটির পানির ফিল্টার টি ক্রয় করতে পারেন।

মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম

মোজাইক পাথরের ফিল্টার একটি অনন্য ফিল্টার, যা বর্তমানে অনেকেই ব্যবহার করতেছে। এই ফিল্টারটি দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তেমনি ভাবে পানি কেও রাখে খুব ঠান্ডা ও স্বচ্ছ। ৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতার মোজাইক পাথরের ফিল্টার দাম হচ্ছে ৩৪৫০ টাকা, একই ফিল্টার যদি আপনি সম্পূর্ণটাই টাইলস বা কারুকার্যকৃত নিতে চান তাহলে দাম পড়বে ৪৬০০ থেকে ৪৭০০ টাকার মতো। এটি বিদ্যুৎ ছাড়াই ২৪ ঘন্টা আপনাকে ঠান্ডা পানি সরবরাহ করবে।

ফিল্টার ব্যবহার করার নিয়ম

প্রথমে ফিল্টার টি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। ও ফিল্টারে অল্প পানি দিয়ে পানিটা ফেলে দিন, তারপর ফিল্টারের পানি পান করুন আর ফিল্টার টি প্রতিদিন নয়তো এক দুই দিন পর পর পরিষ্কার করুন নয়তো ফিল্টারের ভিতরে ময়লা জমে যেতে পারে তারপর ময়লা থেকে পেট খারাপ ও পেটে সমস্যা হতে পারে।

ফিল্টারের পানি আপনি চাইলে সাধারণ ভাবে পান করতে পারবেন কিন্তু আপনার যদি ময়লা আবর্জনা থাকার ভয় থাকে তাহলে ফুটিয়ে পান করলে অসুবিধা নেই। আর ফিল্টারের ভিতরে গরম পানি দেওয়া যাবে না কেননা গরম পানি দেওয়ার কারনে প্লাস্টিক হলে ভিতরে পুড়ে যেতে পারে, তাই সাবধানতা অবলম্বন করে ফিল্টার ব্যবহার করুন।

পানির ফিল্টার কোনটা ভালো

ওয়ালটন, ভিশন, মিয়াকো, আরএফএল ও মাটির ফিল্টার সহ আরো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পানির ফিল্টার রয়েছে। অনেক সময় সাধারণ মানুষের জনমনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক করে যে, পানির ফিল্টার কোনটা ভালো হবে? তো এক্ষেত্রে আমি বলব সব ধরনের ফিল্টারই ভালো এমনকি সবগুলো ফিল্টারের মাধ্যমেই পানি থেকে আর্সেনিক ও ময়লা দূর করে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করে তোলা যায়। 

কিন্তু মাটির পানির ফিল্টার এগুলো থেকে অন্যরকম, কারণ আমি নিজেও দেখেছি অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় মাটির পানির ফিল্টারের স্বাদ অন্যরকম। তাই সবগুলো থেকে আমি মাটির ফিল্টারটাকে এগিয়ে রাখবো যদিও মাটির ফিল্টারের দাম অন্যান্য ফিল্টারের তুলনায় কম। তবে আপনার যদি মনে হয় মাটির ফিল্টার থেকেও অন্যান্য ফিল্টার ভালো হবে সে ক্ষেত্রে আপনার চয়েজ মত আপনি পানির ফিল্টার কিনতে পারেন।

ফিল্টারের পানি খাওয়ার উপকারিতা

শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফিল্টারের পানি অধিক উপকারী, ফিল্টারের পানি পান করার দ্বারা শরীর জীবানু মুক্ত থাকে এমনকি হজম শক্তি বাড়াতে ও সাহায্য করে। ডায়রিয়া পেট খারাপ সহ পেটের অন্যান্য সমস্যা থেকেও রক্ষা করে। অনেক সময় দেখা যায় পানির মধ্যে যদি আর্সেনিক থাকে তাহলে সেই পানি পান করার দ্বারা দাঁতের কোনায় কালো কালো দাগ পড়ে যায় এমনকি অনেক সময় দাঁত লাল হয়ে যায়। আপনি যদি ফিল্টারের পানি পান করেন তাহলে আপনার দাতকে কালো হওয়া কিংবা লাল হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

তাছাড়া ফিল্টারের পানি খাওয়ার অপকারিতা ও আছে যেমন ফিল্টার যদি অনেক দিন পর্যন্ত পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি জীবাণু যুক্ত হয়ে যায় এমনকি পানি থেকে দুর্গন্ধ বাহির হয়। তাছাড়া এমন পানি পান করার দ্বারা কোনরকম স্বাদ ও তৃপ্তি আসেনা, এমনকি যদি দীর্ঘদিন ফিল্টার পরিস্কার না করা হয় তাহলে পানি নষ্ট হয়ে যায় এবং তা পান করার দ্বারা পেটে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

মোজাইক পাথরের ফিল্টার কেমন?

মোজাইক পাথরের ফিল্টার খুবই ভালো, প্রাকৃতিকভাবে আপনাকে ঠান্ডা পানি দিবে বিদ্যুৎ বা কারেন্ট সাশ্রয়ী এমনকি পানিও হবে স্বচ্ছ।

মাটির পানির ফিল্টারে পানি কি ঠান্ডা হয়?

ফিল্টারটি মাটি দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে এর ভিতরে রাখা পানি ঠান্ডা ও সুস্বাদু হয়।

ভিশন পানির ফিল্টার কি বিদ্যুৎ ছাড়া চলে?

হ্যা স্বাভাবিকভাবে পানিকে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার করার জন্য ভিশন পানির ফিল্টার বিদ্যুৎ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়, তবে আপনি যদি পানি কে আপনার ইচ্ছামত ঠান্ডা বা গরম করতে চান তাহলে অবশ্যই বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হবে।

আরও পড়ুন

শেষ কথা

সুস্থ দেহের জন্য পানির কোন তুলনা নেই এজন্যই হয়তো মনীষীরা বলে গেছে পানির অপর নাম জীবন। তবে সেই পানি হতে হবে পরিষ্কার ও স্বচ্ছ আর পানি যদি হয় অপরিষ্কার তাহলে মনীষীদের উক্তি পরিবর্তন হয়ে যাবে তখন হবে পানির অপর নাম মরণ। তাই বিশুদ্ধ পানি পান করার জন্য আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে একটি করে ফিল্টার রাখা প্রয়োজন। তাই দেখেশুনে আপনি ফিল্টার কিনবেন এমনকি আপনার পরিবারের জন্য কতটুকু ধারণ ক্ষমতার ফিল্টার প্রয়োজন কিনার সময় সেটাও লক্ষ্য রাখবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন